ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিচার বিভাগকে ট্রাম্পের চাপ

প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিচার বিভাগকে ট্রাম্পের চাপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক তদন্ত চালাতে অ্যাটর্নি জেনারেল পাম বন্ডিকে আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার বন্ডিকে উদ্দেশ করে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, আমরা আর দেরি করতে পারি না। এটি আমাদের সুনাম ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে ধ্বংস করছে।

বিবিসি জানায়, সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কমি, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস এবং ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে বন্ডিকে আহ্বান জানান ট্রাম্প। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কিছুই করা হচ্ছে না। অ্যাডাম শিফ ট্রাম্পের প্রথম অভিশংসন বিচারের তত্ত্বাবধান করেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর আরেক পোস্টে বন্ডির প্রশংসা করে ট্রাম্প বলেন, তিনি খুব ভালো কাজ করছেন।

ট্রাম্প বলেন, ৩০টিরও বেশি বিবৃতি ও পোস্ট পর্যালোচনা করেছেন তিনি। আগের মতোই গল্প, শুধু কথার ফুলঝুরি, কোনো পদক্ষেপ নেই। কিছুই করা হচ্ছে না। কমি, অ্যাডাম ‘শিফটি’ শিফ, লেটিশিয়া– তাদের কী হবে? তারা সবাই ভীষণ দোষী; কিন্তু কিছুই করা হচ্ছে না।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ডেমোক্র্যাটরা। সিনেট সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমার বলেছেন, এটাই একনায়কত্বের পথে নিয়ে যাওয়ার শুরু।
সিএনএনকে তিনি বলেন, বিচার বিভাগ সবসময়ই খুব শক্তিশালী সিভিল সার্ভিস ছিল, ক্ষমতায় ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান– যেই থাকুক না কেন। তারা ভয় বা পক্ষপাত ছাড়াই আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আমি মনে করি পাম বন্ডি যুগের সেরা অ্যাটর্নি জেনারেলদের একজন হিসেবে পরিচিত হবেন।

ফেডারেল প্রসিকিউটর এরিক সিবার্টকে বরখাস্ত করার এক দিন পর ট্রাম্পের পোস্টটি আসে। ট্রাম্প বলেন, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের বিরুদ্ধে মর্টগেজ জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করতে ব্যর্থ হয়েছেন সিবার্ট।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সিবার্ট বিচার বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বলেছেন, তাদের তদন্তে জেমসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মতো যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এফবিআই এজেন্টের কাছ থেকে ৫০ হাজার ডলার ঘুষ নিয়েছিলেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সীমান্তবিষয়ক উপদেষ্টা টম হোম্যান সরকারি চুক্তি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে ঘুষ নিয়েছিলেন। গত বছর কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো এফবিআইর এক গোপন অভিযানে এমন দৃশ্য ধরা পড়েছিল। এ অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছিল মার্কিন বিচার বিভাগ। তবে এফবিআই সেই তদন্ত এখন বন্ধ করে দিয়েছে।

রয়টার্স জানায়, রোববার বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র জানায়, গত বছর এফবিআইর এক আন্ডারকভার এজেন্টের কাছ থেকে হোম্যান ৫০ হাজার ডলারের নগদ অর্থ নিয়েছিলেন। ডলার দেওয়া হয়েছিল একটি খাবারের দোকান চেইন কাভারযুক্ত ব্যাগে ভরে। বিনিময়ে ট্রাম্প প্রশাসনে যোগ দেওয়ার পর ওই এজেন্টকে অভিবাসন-সংক্রান্ত সরকারি চুক্তি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন হোম্যান।

সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সের সঙ্গে এই গোপন তদন্তের বিষয়ে কথা বলেছেন। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল তদন্ত বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular