ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: তারেক রহমান

বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ: তারেক রহমান

নিউজ ডেস্ক: সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের দেশ। সবাই মিলে শান্তিতে বসবাস করতে চায়। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সমবণ্টনের মাধ্যমে দেশের সব এলাকার সমান উন্নয়ন করতে চায় সরকার।

মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর নগরের ঐতিহাসিক ধর্মসভা (রাধা গোবিন্দ) মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার সময় ধর্ম, মত, শ্রেণি ও পেশার ভেদাভেদ ছিল না। বিভিন্ন ধর্মের ও পেশার মানুষ একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সব ধর্ম ও পেশার মানুষ রাজপথে নেমেছেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ অংশ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, সরকার যারা ভোট দিয়েছেন, তাদেরও; যারা ভোট দেননি, তাদেরও। এই সরকার সবার। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সমবণ্টনের মাধ্যমে দেশের সব এলাকার সমান উন্নয়ন করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি রংপুর মহানগরের উন্নয়নে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রংপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামগুলোতে মানুষের প্রয়োজন অনুযায়ী স্কুল-কলেজের অবকাঠামো, সেতু, কালভার্ট ও সড়ক উন্নয়নের দায়িত্ব স্থানীয় সরকারকে দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো পর্যায়ক্রমে গড়ে তোলা হবে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও রাষ্ট্রের উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারেন। এসব কাজ করতে হলে ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, সরকার যখন ঐক্যের ডাক দিয়েছে, তখন একটি মহল বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অতীতে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার চেষ্টা সফল হয়নি। একইভাবে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত না করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও কিছু বলার বা তুলে ধরার থাকলে তা সংসদে উপস্থাপন করা উচিত। সেখানে ভালো প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে। তবে স্কুল-কলেজ, চাকরি ও মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্যে যেন বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এর আগে দুপুর ১২টার পর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপে পৌঁছে উপস্থিত ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। মন্দিরের উন্নয়নে ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন তিনি। পাশাপাশি মন্দিরের উন্নয়নে আরও উদ্যোগ নিতে স্থানীয় সরকারকে নির্দেশনা দেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular