ঢাকা  সোমবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅর্থনীতিবাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক

বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক

অর্থনীতি ডেস্ক: সম্প্রতি ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পাটপণ্যে নতুন অ্যান্টিডাম্পিং শুল্কের হার নির্ধারণ করেছে, যা উৎপাদনকারীভেদে আলাদা। এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের পাট শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।

ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ ২৪ সেপ্টেম্বর নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে, যেখানে তালিকাভুক্ত ৫৫টি প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কের হার তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে। তবে তালিকার বাইরে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য শুল্কের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি, যা টনপ্রতি ৪৪৫ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

নতুন শুল্ক কাঠামো অনুযায়ী, উৎপাদনকারীদের বৈধ বাণিজ্যিক চালান দেখাতে হবে, যাতে তাদের নির্ধারিত শুল্ক সুবিধা পাওয়া যায়। অন্যথায়, সাধারণ শুল্ক কার্যকর হবে।

তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে পাটের সুতায় শুল্ক শূন্য রাখা হয়েছে, যা তাদের জন্য একটি সুবিধা। তবে, তালিকার বাইরে থাকা উৎপাদনকারীরা বেশি শুল্কের মুখোমুখি হবে, যা তাদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে প্রভাবিত করবে।

বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান তাপস প্রামাণিক এই সিদ্ধান্তের বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে মন্তব্য করেছেন, উল্লেখ করে যে, পূর্বে যারা সুবিধা পেতেন, তারা অনেকেই বাদ পড়েছেন।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ট্রেড রেমেডিজ (ডিজিটিআর) ২০২৫ সালের মধ্যবর্তী পর্যালোচনা শেষে ২০২৬ সালের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন শুল্কহার কার্যকর করেছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা জুট স্যাকিং ব্যাগের জন্য নির্ধারিত অ্যান্টিডাম্পিং শুল্ক জুট স্যাকিং ক্লথের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, তবে ১০টি নির্দিষ্ট বাংলাদেশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত স্যাকিং ক্লথ এই শুল্কের আওতার বাইরে থাকবে।

এই নতুন শুল্ক কাঠামো বাংলাদেশের পাট শিল্পের জন্য একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে, যা বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular