ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeপ্রবাস জীবনবাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা প্রস্থানের ৩ বিমানবন্দর বৈধ

বাংলাদেশিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা প্রস্থানের ৩ বিমানবন্দর বৈধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের জন্য তিনটি বিমানবন্দর বরাদ্দ করে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে বাংলাদেশিদের জন্য তিন বিমান বন্দর সম্পর্কে এই নির্দেশনা জানানো হয়।

বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (বিওএস), নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (জেএফকে) ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (আইএডি) নির্ধারিত এই ৩ বিমানবন্দর ছাড়া বাংলাদেশি নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে বা বের হতে পারবেন না।

B1/B2 ভিসার জন্য ভিসা বন্ড জমা দিয়ে যারা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাবেন, তাদের জন্য এই বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের জন্য এই তিন বিমান বন্দর বরাদ্দ এখন। এর বাইরে অন্য কোনও বিমানবন্দর দিয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে বা সে দেশ থেকে বের হতে পারবে না।

যদি কেউ অন্য কোনও বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ করে বা বের হয়, তাহলে তা বন্ডের নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ হবে এবং বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।

আবেদনকারী কিছু বিদেশী নাগরিকের জন্য ১২ মাসের ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রাম চালু করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই প্রোগ্রামটি ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ফেডারেল রেজিস্টারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন দেশে এই নিয়ম কবে থেকে কার্যকর হবে সেটি প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারী থেকে।

এই ভিসা বন্ড পাইলট প্রোগ্রামটিতে বাংলাদেশ ছাড়াও নাইজেরিয়া এবং নেপাল সহ বেশ কয়েকটি দেশকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। দেশগুলো হল- আলজেরিয়া , অ্যাঙ্গোলা , কিউবা , নেপাল , নাইজেরিয়া , সেনেগাল , টোগো , উগান্ডা , জিম্বাবুয়ে।

এছাড়া, B-1/B-2 ভিসা আবেদনকারীদের ভিসার মেয়াদের অতিরিক্ত সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান রোধ করতে ৫ হাজার মার্কিন ডলার থেকে ১০ হাজার মার্কিন ডলার অথবা ১৫ হাজার পর্যন্ত ফেরতযোগ্য বন্ড জমা দিতে হতে পারে।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের B-1/B-2 ভিসা হল সাময়িক থাকার জন্য একটি সম্মিলিত ভিজিটর ভিসা, যা ব্যবসার জন্য ভ্রমণের অনুমতি দেয় (B-1- সভা বা সম্মেলন) অথবা পর্যটন /চিকিৎসা (B-2-পর্যটন, পরিবার পরিদর্শন, ছুটি)।

উল্লেখ্য, ভিসা বন্ডের শর্তযুক্ত দেশগুলোর তালিকায় সাতটি দেশকে যুক্ত করার এক সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের নাম যোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular