ক্রীড়া ডেস্ক: ভাইরাস সংক্রমণে ভুগেছেন ভিনসেন্ট কোম্পানি। অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪০ বছর বয়সী বায়ার্ন মিউনিখের এই বেলজিয়ান কোচ।
জার্মান সংবাদমাধ্যম স্কাই স্পোর্টস জানিয়েছে, কোম্পানির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে বায়ার্নের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
কোচ যখন হাসপাতালের বিছানায়, তখন তাঁর প্রিয় ছাত্র জিতে নিয়েছেন ব্যালন ডি’অর। সোমবার লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে ব্যালন হাতে দাঁড়িয়ে ঠিকই গুরুকে স্মরণ করেছেন কেইন। আবেগী বক্তব্যে তিনি ভিনসেন্টকে মিস করা এবং তাঁর অসুস্থতা থেকে উত্তরণের জন্য দোয়া চেয়েছেন।
কেইন বলেন, ‘আমি জানি ভিনসেন্ট বাড়িতে আছেন কিংবা হয়তো এখনো হাসপাতালেই আছেন। তোমার দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। আশা করি, এই পুরস্কারটি তোমাকে কিছুটা শক্তি জুগিয়েছে। ভিনসেন্ট এবং পুরো কোচিং স্টাফ—আমরা যেভাবে প্রশিক্ষণ নিই, আপনারা যেভাবে আমাদের সেরাটা বের করে আনেন—তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনাদের সাথে কাজ করার পর থেকেই আমি একজন খেলোয়াড় হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে এবং একজন নেতা হিসেবে উন্নতি করেছি। আর এ সবই সম্ভব হয়েছে আপনাদের অসাধারণ নেতৃত্বের কারণে।
একই সঙ্গে তিনি সতীর্থদেরও ধন্যবাদ জানান। কেইনের কথায় উঠে এসেছে ওলিসে, উপামেকানো ও দিয়াজের নাম। তিনি বলেন, ‘আমার বায়ার্ন মিউনিখ সতীর্থদের মধ্যে কয়েকজন আজ এখানে উপস্থিত আছেন—মাইকেল (ওলিসে), উপা (দায়োত উপামেকানো), লুচো (লুইস দিয়াজ), লেনি (লেনার্ট কার্ল)। আপনারা এবং দলের বাকি সদস্যরা না থাকলে এটা কখনই সম্ভব হতো না। আপনারা যেভাবে আমাকে প্রতিনিয়ত তাগিদ দেন, যেভাবে আমরা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করি—প্রশিক্ষণে প্রতি সপ্তাহে উপার সাথে আমার লড়াই—সবকিছুই আমাকে একজন ভালো খেলোয়াড় হতে এবং আরও উন্নতি করতে সাহায্য করে, তাই আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।’
কোচ ভিনসেন্টের মতো বায়ার্ন সভাপতি ও কর্তাব্যক্তিদের অনেকেই উপস্থিত থাকতে পারেননি এদিন। তাঁদেরও স্মরণ করেন কেইন, ‘জান (জান-ক্রিশ্চিয়ান ড্রেসেন, বায়ার্ন সিইও), হার্বার্ট (হেইনার, বায়ার্ন সভাপতি) এবং বায়ার্নের সকল চেয়ারম্যান ও সভাপতি মহোদয়—আমি জানি আপনাদের অনেকেই আজ এখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে বায়ার্ন মিউনিখের প্রতিনিধিত্ব করাটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করা এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়, তাই আমি আনন্দিত যে এই ট্রফিটি শেষ পর্যন্ত বায়ার্ন মিউনিখেই নিয়ে যেতে পারছি।’
কেইন স্মরণ করতে ভোলেননি ইংল্যান্ড দলের কোচিং স্টাফদেরও। বিশেষ করে টমাস টুখেলকে ধন্যবাদ জানান তিনি, ‘টমাস টুখেল এবং ইংল্যান্ডের কোচিং স্টাফদেরও ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের নেতৃত্ব এবং যেভাবে আপনারা আমাদের মান উন্নত করতে অনুপ্রাণিত করেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আপনাদের এবং ইংল্যান্ডের জার্সির প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য বড় সম্মানের। আমি জানি ডেবি (হেউইট, এফএ চেয়ার) আজ এখানে উপস্থিত আছেন। তাই ডেবি, আপনি এবং এফএ-এর সবাই মিলে যা করেন তার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের অধিনায়ক হওয়াটা সত্যিই এক বিশাল সম্মানের বিষয়।’



