নিউজ ডেস্ক: ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা কমে এসেছে। ফলে দেশটিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে জটিল জোট আলোচনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, তিন-চতুর্থাংশের বেশি ভোট গণনার পর নেতানিয়াহুর জোট প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় সামান্য এগিয়ে রয়েছে। তবে ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ আসনের সীমা থেকে তারা পিছিয়ে।
এএফপির হিসাবে, ৭৭ শতাংশ ভোট গণনার সময় নেতানিয়াহুর জোট ৫৪টি এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৯টি আসন পাওয়ার পথে ছিল। তবে চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগে এই হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।
আসাহি শিম্বুনও বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংবাদ হিসেবে নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পথে থাকার বিষয়টি তুলে ধরে এবং সম্ভাব্য জোট আলোচনাকে নির্বাচনের পরবর্তী প্রধান ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করে।
এ অবস্থায় ইসরায়েলের আরব রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কোনো প্রধান জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে নতুন সরকার গঠনে দীর্ঘ আলোচনা ও রাজনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজন হতে পারে।-
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা এবং পরবর্তী গাজা যুদ্ধের পর এটিই ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ফলে এর ফল দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ কূটনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।