নিউজ ডেস্ক: টানা ছয় মাস লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যের মংডু শহর শহর নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
গত রবিবার আরাকান আর্মির প্রকাশিত বিবৃতির মাধ্যমে আরও জানা যায় মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)-র ৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের ঘাঁটি দখলের মধ্যে দিয়ে এই জেলা শহরটি শতভাগ নিয়ন্ত্রণের পর মিয়ানমারের সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বিজিবি।
ইতোমধ্যে থাইল্যান্ড থেকে প্রকাশিত মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ-মিয়ানমারের ২৭০ কিলোমিটার সীমান্ত অঞ্চলের মংডু শহর পুরোটাই আরাকান আর্মির দখলে গেছে।
আরাকান আর্মির নিজস্ব ওয়েব সাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতির তথ্যানুসারে টানা ৬ মাস ধরে লড়াই করে রোববার বিজিপির ৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের ঘাঁটি থেকে জান্তা সরকারের অনুগত রোহিঙ্গা সহযোগী আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ), আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)-র সদস্যরা পালিয়েছে। ইতোমধ্যে জান্তা বাহিনীর একজন পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থুরিন তুনকে আটক করেছে। থুরিন ছিলেন রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ১৫ নং অপারেশন কমান্ডের অধিনায়ক। একইসঙ্গে জান্তার সেনা ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৮০ জন যোদ্ধাকে আটক করেছে বিদ্রোহীরা।
ইরাবতির প্রতিবেদনে আরও বলাহয়, সীমান্ত এলাকার তিনটি টাইনশিপ-মংডু, বুথিডং ও পালেতাওয়া দখলের নেয়ার দাবি করেছে আরাকান আর্মি। মংডু ও বুথিডং বরাবর বাংলাদেশের সীমান্ত, আর পালেতাওয়ারের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত রয়েছে। একই সঙ্গে নাফ নদীর মিয়ানমারের অংশে অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আরাকান আর্মি।



