নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদার দাবিতে হামলা চালিয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। ব্যবসায়ীদের তুলে নিয়ে স্থানীয়দের ক্লাবে শারিরীক নির্যাতন চালিয়েছে কিশোরগ্যাংয়ের প্রধান জাহিদ হাসান ও তার সহযোগিরা। পরে ২০ হাজার টাকা আদায়ের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তে এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি ও নির্যাতিত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ওরফে মুন্না। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তার স্ত্রী রুপা বেগম, ছোট ভাই মো. শুভ সহ পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি মতিঝিল ক্লাবপাড়ায় ভাতের হোটেলের ব্যবসা করে আসছিলেন। গত ৭ থেকে ৮ মাস আগে মতিঝিল এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান জাহিদ হাসান, ইমুন, আজমির, রানা, মাজেদ, পানি বাবুসহ পনের বিশ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তার হোটেলে এসে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
তাৎক্ষনিকভাবে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিতে ভাঙচুর চালিয়ে দোকানের ক্যাশ ভেঙে বিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনার পর মুন্না বাদি হয়ে মতিঝিল থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলায় জাহিদ হাসানকে পুলিশ গ্রেফতার করে। দীর্ঘ চার মাস জাহিদ হাসান জেল খেটে গত সেপ্টেম্বর মাসে বের হয়ে পুনরায় তার দোকানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ে এসে ব্যাপক হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এঘটনায় মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগি মুন্না।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে সন্ত্রাসীরা মতিঝিল এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে ব্যাপক চাঁদাবাজিসহ সন্ত্রাসী কার্যকলায় চালিয়ে আসছেন। এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ কোন প্রকার প্রতিবাদ করতে পারছে না। এসব সন্ত্রাসীদের ভয়ে ইতিমধ্যেই অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের আইজিসহ সংশ্লিষ্ট্ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।



