মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ; মামলায় আসামি ১৯ জন
নাজমুল হোসেন, বিশেষ সংবাদদাতা : লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুয়েল হোসেন নীরবকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদল নেতা আবদুর রহমান শাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে উত্তর তেমুহনী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আজ বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার আবদুর রহমান শাহেদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঞ্চানগর এলাকার ফিরোজ আলমের ছেলে। তিনি দালালবাজার ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক। আহত জুয়েল হোসেন নীরব লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তিনি সাহাপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে।
জুয়েলকে মারধরের ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় শাহেদকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই দিন রাতে জুয়েলের বাবা শাহজাহান বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় শাহেদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও আটজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একটি মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে জুয়েল ও শাহেদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে রোববার রাতে সাহাপুর এলাকায় একটি বৈঠক হয়। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা চালান। এ সময় তাঁকে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, আহত জুয়েল রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে গেলে শাহেদের নেতৃত্বে তাঁর ওপর আবার হামলা চালানো হয়।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, মামলার প্রধান অভিযুক্ত আবদুর রহমান শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ওই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



