ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশদেশীয় প্রতিষ্ঠানের চার হাজার ছয় শত তিন পণ্যের আবেদন ঝুলে, অনুমোদন পেল...

দেশীয় প্রতিষ্ঠানের চার হাজার ছয় শত তিন পণ্যের আবেদন ঝুলে, অনুমোদন পেল কর্টেভার চার বালাইনাশক

আড়াই বছর ধরে আটকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন; পরীক্ষাগার ও মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা শেষ হলেও সিদ্ধান্ত না হওয়ায় উদ্বেগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের প্রায় এক হাজার বালাইনাশক প্রতিষ্ঠানের চার হাজার ৬০৩টি পণ্যের নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। এসব পণ্যের অধিকাংশের পরীক্ষাগার ও মাঠপর্যায়ের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না হলেও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কর্টেভা এগ্রিসায়েন্স বাংলাদেশ লিমিটেডের চারটি রাসায়নিক বালাইনাশক অনুমোদন দিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। এ ঘটনায় দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বৈষম্যের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির (পিটাক) ৯১তম সভায় কর্টেভার চারটি রাসায়নিক বালাইনাশক অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সভায় ৪৫টি জৈব বালাইনাশকও অনুমোদন পায়।

অনুমোদন পাওয়া রাসায়নিক বালাইনাশক চারটি হলো সোলারিস ১১.৭ এসসি, গ্যালিলিও ওয়ে ১৮.৭৬ এসসি, গ্যালিলিও সেনসা ৩০ এসসি ও নোভিক্সিড ৩.৪১ ওডি। ভুট্টা, ধান ও ঢেঁড়শের বিভিন্ন পোকা, রোগ ও আগাছা দমনে ব্যবহারের জন্য পণ্যগুলো অনুমোদন পেয়েছে। এসব পণ্যের নিবন্ধন সনদের মেয়াদ তিন বছর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৬ মে পিটাকের ৮৮তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত ২৪ সেপ্টেম্বর ৯১তম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগপর্যন্ত দীর্ঘ সময় নতুন রাসায়নিক ও জৈব বালাইনাশকের নিবন্ধন সনদ ও লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল।

দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ৪ হাজার ৬০৩টি পণ্যের আবেদনের মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৩০০টির পরীক্ষাগার পরীক্ষা এবং আরও প্রায় ২ হাজার ৩০০টির মাঠপর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এরপরও এসব আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বালাইনাশক ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

তাঁদের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের নিষ্পত্তি না করে বিদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের চারটি রাসায়নিক বালাইনাশক অনুমোদন দেওয়ায় নিবন্ধনপ্রক্রিয়ার সমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অবস্থান, সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্বের কারণ এবং আটকে থাকা পণ্যগুলোর নিবন্ধন ও লাইসেন্স দেওয়ার সম্ভাব্য সময়সীমা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও পূর্ণাঙ্গ হবে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular