নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী প্রতিদিনের আপডেটে নোভা ইলিঙ্কার কোনও উল্লেখ করেনি। শহরটি কুরাখোভ থেকে একটি জলাধারের বিপরীত তীরে অবস্থিত। এটি রুশ বাহিনীর ডোনেস্ক অঞ্চলের মধ্য দিয়ে স্থির অগ্রগতির একটি কেন্দ্রবিন্দু।
এক সপ্তাহেরও বেশি আগে ডিপ স্টেট বলেছিল নোভা ইলিঙ্কা রাশিয়ার হাতে পড়েছে। এটি সশস্ত্র বাহিনীর গতিবিধি ট্র্যাকিংয়ের একটি জনপ্রিয় ইউক্রেনীয় ব্লগ।
বিশ্লেষক ও যুদ্ধ ব্লগাররা বলছেন, রুশ বাহিনী ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির আক্রমণের প্রথম দিন থেকে পূর্ব ইউক্রেনে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে অগ্রসর হচ্ছে। তারা গ্রামের পর গ্রাম দখল করে চলেছে।
ডোনেস্ক অঞ্চলের উত্তরে কুরাখোভ ও পোকরোভস্ক আপাত রুশ অগ্রগতির পরবর্তী লক্ষ্য।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাতের নিয়মিত ভিডিও ভাষণে উভয় শহরের আশেপাশের অঞ্চলগুলোকে সংঘাতের কিছু মারাত্মক লড়াইয়ের ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জেলেনস্কি খারকিভ অঞ্চলের আরও উত্তরে কুপিয়ানস্ক সেক্টরের কথা উল্লেখ করেছেন, যেখানে রুশ সেনারা সক্রিয় ছিল। ইউক্রেনের প্রতিবেদন অনুসারে, রুশ বাহিনী সম্প্রতি কুপিয়ানস্কে দুটি আক্রমণ করেছে।
আক্রমণের প্রথম সপ্তাহে শহরটি রুশ বাহিনী দখল করেছিল এবং এর কয়েক মাস পর পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে এটি পুনরায় দখল করেছিল ইউক্রেন।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ বুধবার গভীর রাতে এক প্রতিবেদনে বলেছে, ইউক্রেন বাহিনী কুরাখোভের কাছে ৩৬টির মধ্যে ৩০টি হামলাই প্রতিহত করেছে। ছয়টি সশস্ত্র সংঘর্ষ এখনও চলছে। এতে বলা হয়, ইউক্রেনীয় সেনারা পোকরভস্কের কাছে ৩৫টির মধ্যে ২৬টি হামলা প্রতিহত করেছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ইউক্রেন রুশ নিয়ন্ত্রিত জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও এনেরহোদার শহরে দুইবার আঘাত করেছে। সেখানে বিুদ্যৎকেন্দ্রের অধিকাংশ কর্মী বাস করে।
এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার জন্য রাশিয়া ও ইউক্রেন নিয়মিতভাবে একে অপরকে দোষারোপ করে। তবে উভয় পক্ষই বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা অস্বীকার করেছে।



