স্পপন পাল: কালোত্তীর্ণ মানুষ আনন্দমোহন বসু’র ১১৯তম প্রয়াণ বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি, শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক, ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতির পথপ্রদর্শক ও প্রথম র্যাংলার আনন্দমোহন বসু।
শিক্ষার নগর ময়মনসিংহে শত বছরের অধিককাল ধরে আলো ছড়ানো প্রধান প্রতিষ্ঠানের নাম আনন্দমোহন কলেজ। এই কলেজটির সাথে জ্বলজ্বল করছে যে মানুষটির নাম, তিনি আনন্দমোহন বসু।
আনন্দমোহন বসু কেবল শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বলেই তাঁর নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এমনটি ভাবলে তাঁর কর্মকে শুধু খাটো করা হবেনা, ইতিহাসের অনেককিছুই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। এবং আমাদের অজানা থেকে যাবে ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং নিজেদেরকে বঞ্চিত করবো এক কীর্তিমান আলোকময় মানুষের দীপ্তি থেকে। উনি শিক্ষায় অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি সমাজ, ধর্ম, রাজনীতি এবং নারীর অগ্রযাত্রায় রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
১৯০৬ সালের ২০ আগস্ট (বাংলা ১৩১৩ সনের ৪ ভাদ্র) সোমবার সূর্যাস্তের সময় কলকাতার আপার সার্কুলার রোডস্থ পরমাত্মীয় আচার্য বিজ্ঞানী জগদ্বীশ চন্দ্র বসু’র বাড়ীতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই ক্ষণজন্মা মানুষটি।
আনন্দমোহন বসু’র প্রয়াণ দিবসে আমাদের অতল শ্রদ্ধা।
আমরা এও জানি, ‘ইতিহাস হলো মানুষের আত্ম-আবিষ্কারের ইতিকথা’। তাই নিজেকে আবিস্কারের পর্যায়ক্রমিক ধারায় আরো একটু এগিয়ে নিতে এই মানুষটি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন বলে মনে করি।
এই কীর্তিমান মানুষ সম্পর্কে আরও বেশি জানতে আগ্রহী ব্যক্তিগণ পড়তে পারেন, ‘আনন্দমোহন বসুঃ ইতিহাসের অপ্রকাশিত অধ্যায়’ বইটি।
সৃজনশীল প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘ভাষাচিত্র’ কর্তৃক ২০১৯ সালের বাংলা একাডেমির একুশে বই মেলায় এটি প্রকাশিত হয়েছে।
গ্রন্থটি প্রণয়নে অনুপ্রেরণা বলি আর জোর তাগিদই বলি, তা পেয়েছি অধ্যাপক যতীন সরকারের নিকট থেকে।
স্পপন পাল
লেখক, গবেষক ও উন্নয়নকর্মী



