নিউজ ডেস্ক: অনতিবিলম্বে জ্বালানী তেল, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমিয়ে সরকার এ ভয়াবহ সংকট সমাধানে ব্যর্থ হচ্ছে। এ ব্যর্থতা অশুভ শক্তিকে উৎসাহিত করছে, বলেছেন সিনিয়র এড সুব্রত চৌধুরী।
সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছেন, আমরা সরকারকে সহায়তায় প্রস্তত আছি । চাই না কোন অপশক্তি এ অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করুক।
গণফোরাম সভাপতি ( ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র এড সুব্রত চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ডা্ মিজানুর রহমান, সভাপতি পরিষদ সদস্য জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোস্তাক আহমেদ, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, শাহ মফিজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লতিফুল বারী হামিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ ও মো আজাদ হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সানজিদ রহমান শুভ, আলী জামান, শফিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, কামাল উদ্দিন সুমন, আনোয়ার ইব্রাহিম প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রওশন ইয়াজদানী।
জনাব এড সুব্রত চৌধুরী বলেন ভোটের মধ্যে নির্বাচিত সরকার জ্বালানি তেল, গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির জন্য জনজীবনে আজ অতিষ্ঠ। আমরা মনে করি সঠিক পরিকল্পনার করে অথবা কমিশন গঠন করে এ বিষয়ে মতামত নেওয়া হউক।
তিনি আরও বলেন বিগত আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। পুলিশ ও র্যাব সদস্যের উপর নির্বাচন করা হচ্ছে। বাড়ি ঘরে আক্রমণ করে শিক্ষক হত্য করা হচ্ছে। এর বিচার হয় না। সকল ক্ষেত্রে এক ধরনের ঢিলামী ও দায়সারা ভাবে কাজ চলছে। এ অবস্থা থেকে মানুষ মুক্তি চায়।
সাধারণ সম্পাদক ডা্ মিজানুর রহমান বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ৩২ নম্বরে আক্রমণ করা হয়েছে। মাজার ও শিল্পী সমাজের উপর নির্যাতন করা হয়েছে। এ থেকে দেশ এখনো মুক্ত হয়নি। দেশবাসী এ অবস্থা থেকে চায়।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লতিফুল বারী হামিম বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও গ্যাসের অভাবে জনজীবন অতিষ্ঠ। রান্না ঘরে চুলা জলে না , বিদ্যুতের অভাবে ছাত্র ছাত্রীরা লেখাপড়া করতে পারছে না। শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে । হঠাৎ করে কেন এমন হচ্ছে সাধারন মানুষ তা জানতে চায় ? সকল দেশের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক জোট গুলি সক্রিয় করা উচিত। তেল সংকটের সময় হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে এ ঢাকা-চিটাগাং লং মার্চ যা নজির বিহীন ঘটনা ।




