নিউজ ডেস্ক: শিশু হাসানের গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিক্ষা কেবল একটি অধিকার নয়, বরং একটি মৌলিক প্রয়োজন। আট বছর বয়সে যখন তার স্কুলে যাওয়ার কথা, তখন তাকে জীবিকার তাগিদে রাস্তায় বাদাম বিক্রি করতে হয়েছে। কিন্তু ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের উদ্যোগে এখন হাসানের হাতে বই-খাতা উঠছে, যা তার জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
হাসানের বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন এবং তার মৃত্যুর পর পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয়েছে তাকে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে, জেলা প্রশাসকের সহায়তা তার পরিবারকে নতুন করে আশার আলো দেখাচ্ছে। হাসানের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যা তাদের জীবনে পরিবর্তন আনবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের বক্তব্যে স্পষ্ট, “শিক্ষা প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার।” তিনি বলেন, আমাদের দায়িত্ব হলো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দেওয়া। হাসানের মতো শিশুদের জন্য নিরাপদ শৈশব ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে সমাজের সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এখন হাসান স্কুলের আঙিনায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। তার মতো সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা যদি যথাযথ শিক্ষা ও সহযোগিতা পায়, তবে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। এই উদ্যোগ আমাদের সকলের জন্য একটি উদাহরণ, যে আমরা যদি একত্রিত হয়ে কাজ করি, তবে সমাজের প্রতিটি শিশুর জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারব।



