ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধনেতানিয়াহুর নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভায় গাজা যুদ্ধবিরতি, জিম্মির পরিকল্পনা অনুমোদন

নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভায় গাজা যুদ্ধবিরতি, জিম্মির পরিকল্পনা অনুমোদন

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক: ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রিসভা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পিত গাজা যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মির পরিকল্পনা অনুমোদন দিয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার পশ্চিম জেরুজালেমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা এবং সাবেক উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন নেতানিয়াহু।

আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় জানিয়েছে, ইসরাইল গাজা চুক্তির প্রথম পর্যায়ের অনুমোদন দিয়েছে। যার ফলে যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে।

চুক্তির অংশ হিসাবে ইসরাইলের সেনাবাহিনীকে এমন একটি রেখায় প্রত্যাহার করতে হবে যা গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে রাখবে। হামাসকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে ২০ জন জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে। আগামী দিনে

ফিলিস্তিনের একটি সূত্র এএফপি’কে জানিয়েছে, ইসরাইল এরপর ইসরাইলি কারাগারে বন্দী প্রায় ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে এবং গাজা থেকে ১,৭০০ বন্দীকে মুক্তি দিবে।

জাতিসংঘ বলেছে, গাজার বাস্তুচ্যুত ২০ লক্ষ মানুষের জন্য শত শত ত্রাণবাহী লরি খাদ্য, ওষুধ এবং জ্বালানি বহন করবে।এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত – তবে এটি একটি যুদ্ধবিরতি, শান্তি চুক্তি নয়, লিখেছেন লিস ডুসেট। সবচেয়ে কঠিন বিষয়গুলি এখনও টেবিলে রয়েছে

নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির মধ্যে আছি’।বাস্তুচ্যুত গাজাবাসী এএফপি’কে বলেছেন, বিমান হামলা এখনো ‘অনেক জায়গায়’’ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি গাজা পুনরুদ্ধারের জন্য সময়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেছেন, ‘এই চুক্তির একমাত্র সুবিধা হল হত্যা বন্ধ করা’।

হামাস-পরিচালিত ফিলিস্তিন সিভিল ডিফেন্স গাজাবাসীদের ইসরাইলি সেনাদের অবস্থান এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে।টেলিগ্রামে একটি পোস্টে, তাদের মুখপাত্র বলেছেন, ইসরাইল সৈন্য প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত জনগণকে বিশেষ করে গাজা শহরের সীমান্তবর্তী এলাকা এড়িয়ে চলতে হবে।

জেরুজালেমে এএফপি’র সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ইসরাইলি মন্ত্রিসভা অনুমোদনের সাথে সাথেই যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা সত্বেও যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজায় গুলি চালিয়েছে। সরকারের ভোটের আগে গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত ছিল, কিন্তু আজ সকালে আমরা আরো হামলার একাধিক প্রতিবেদন দেখতে পাচ্ছি।

আমরা উল্লেখ করেছি, প্রত্যক্ষদর্শীরা এএফপি’কে জানিয়েছেন, আজ সকালে খান ইউনিসে বিমান হামলা এবং কামানের গোলাবর্ষণ হয়েছে। আরো উত্তরে নেটজারিম করিডোরের আশেপাশেও গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।

বিবিসি ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করেছে। তারা জানিয়েছে, তারা প্রতিবেদনগুলো খতিয়ে দেখছেন।

ঢাকা নিউজ/এস 

 

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular