ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসর্বশেষমহিলার চুল কাটার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

মহিলার চুল কাটার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

ঝিকরগাছার বেনেয়ালি গ্রামে মহিলাকে বাড়ির পিলারে বেঁধে তার মুখে কালি লেপন করে মারধোর ও চুল কেটে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মহিদুল ইসলাম ৬ জনকে আসামি করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। ঝিকরগাছা থানার অভিযোগ পত্র নম্বর ৪৫, তাং-২৭/০৩/২৫ ইং।

তদন্ত প্রতিবেদনে তিনি মামলার এজাহার নামীয় আসামী বেনেয়ালি গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে শিমুল হোসেন (৩২), ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের পদ্মপুকুর গ্রামের ইব্রাহিম খলিলের স্ত্রী শারমিন আক্তার রুমি (৩০), বেনেয়ালি গ্রামের মফিজুর ড্রাইভার এর স্ত্রী রানী বেগম (৪৬), একই গ্রামের তবিবরের স্ত্রী মাজেদা বেগম (৪২), আব্দুল হামিদের স্ত্রী আছিরণ বেগম (৪৮) এবং পদ্মপুকুর গ্রামের মুকুল বিশ্বাসের স্ত্রী রহিমা বেগম (৫২) এই ৬ আসামির বিরুদ্ধে মামলা সংশ্লিষ্ট যাবতীয় কাগজপত্র পর্যালোচনায় বাদিনিকে অবৈধভাবে আটক করতঃ মারপিট করে সাধারণ জখম, মাথার চুল কেটে অস্থায়ীভাবে চেহারার বিকৃতি ঘটানো, শ্লীলতাহানি ও হুমকি প্রদর্শন করায় তাদের বিরুদ্ধে পেনাল কোড আইনের ৩৪২/৩২৩/৩৫৫/৩৫৪/৩৭৯/৫০৬ ধারার অপরাধ প্রাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণে প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

এছাড়াও তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে মামলার ১, ২, ৩ ও ৬ নম্বর আসামীদের গ্রেপ্তার পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ৪ ও ৫ নম্বর আসামিদ্বয় পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী/ক্রোকী পরোয়ানা জারির আবেদন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য গত ২ ফেব্রুয়ারী বিকাল ৪টার সময় বাদী বেনেয়ালি ব্রাক অফিসের সামনে তার সাবেক পুত্রবধুকে দেখতে গেলে উল্লেখিত আসামীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাচ করা সহ বাজে কথাবার্তা বললে তাদের কথায় প্রতিবাদ জানালে আসামিরা বাদিকে এলোপাতাড়ি মারপিট করে জোরপূর্বক তাদের বাড়ির মধ্যে নিয়ে যায়। এরপর ঘরের বাইরের সিঁড়ির পিলারের সাথে অবৈধ ভাবে আটকে রেখে বাঁশ দিয়ে মারপিট করে একপর্যায়ে ধারালো কাইচি দ্বারা বাদীর মাথার চুল কেটে চেহারার বিকৃতি ঘটায় এবং মুখে কালি মাখিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় বাদী ওই দিনই ৬ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার একটা ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular