ক্রীড়া ডেস্ক: দমান ইসলামের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে পেয়েছে ২৭২ রান। ব্যাটিংয়ে শেষ দিকে ধস নামলেও বল হাতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বাগতিকেরা।
জন ক্যাম্পবেলের ফিফটির পর তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আলোস্বল্পতায় দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় প্রথম ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে ক্যারিবীয়রা।
আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে গতকাল (২৮ অক্টোবর) ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ওভারেই দুই রান নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন সাদমান।
১৭ ইনিংস পর তিন অঙ্কের দেখা পাওয়া এই ওপেনার থামেন ১০৫ রানে। তবে এরপরই ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। শেষ সাত উইকেট হারাতে স্বাগতিকদের সংগ্রহে যোগ হয় মাত্র ৫৯ রান। লিটন দাস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকলেও বাংলাদেশ থামে ২৭২ রানে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জোমেল ওয়ারিক্যান নেন পাঁচ উইকেট। শামার জোসেফের শিকার তিনটি, অভিষিক্ত জশুয়া বিশপ নেন দুটি উইকেট।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্র্যান্ডন কিং ১৫ রানে ফিরলেও দুইবার জীবন পেয়ে ফিফটি তুলে নেন ক্যাম্পবেল। তেজনারায়ণ চন্দরপালের সঙ্গে তাঁর জুটিতে স্বস্তি ফিরেছিল ক্যারিবীয় শিবিরে। কিন্তু চা-বিরতির পর মিরাজের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত ক্যাচে ৫৪ রানে ফেরেন ক্যাম্পবেল।
এরপর তাইজুলের স্পিনে দ্রুত দুই উইকেট হারায় সফরকারীরা। ৩৬তম ওভারে কোনো রান না দিয়েই কাভেম হজ ও আমির জাঙ্গুকে ফিরিয়ে দেন বাঁহাতি এই স্পিনার। হজ করেন ৭ রান, জাঙ্গু আউট হন শূন্য রানে।
এরপর তেজনারায়ণ চন্দরপাল ও জাস্টিন গ্রিভস প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। চন্দরপাল ৪৩ ও গ্রিভস ১৫ রানে অপরাজিত আছেন। তবে আলোকস্বল্পতার কারণে ফ্লাডলাইট জ্বালিয়েও খেলা চালানো যায়নি। আম্পায়াররা আলো পরীক্ষা করে দিনের খেলা শেষের সিদ্ধান্ত নেন। তৃতীয় দিন শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে তাই বড় চ্যালেঞ্জ; বাংলাদেশের রান পেরিয়ে ম্যাচে এগিয়ে যাওয়া।



