যথাযথ অনুমতি ছাড়া ইতালিতে অবস্থান করার কারণে গত কয়েক দিনে দেশটি ১৭ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে। রোববার ঢাকার ইতালি দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে জানানো হয়, মানবাধিকারের প্রতি পূর্ণ সম্মান এবং ইউরোপীয় প্রতিশ্রুতি অক্ষুণ্ন রেখে পুরো অভিযানটি পরিচালনা করা হয়েছে। ইউরোপের সীমান্তরক্ষী এফআরওএনআরইএক্স এর সহযোগিতায় সবচেয়ে বড় গ্রুপটিকে ফেরত পাঠিয়েছে তারা।
বাংলাদেশিদের মধ্যে কয়েকজন চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে লিবিয়া দিয়ে ইতালিতে প্রবেশ করেছিলেন। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোয় ইতালিয়ান বর্ডার সিস্টেমকে ধন্যবাদ জানিয়েছে ঢাকার দূতাবাস। উপযুক্ত ভিসা ছাড়া যারা ইতালিতে প্রবেশের কথা বিবেচনা করছেন, এ প্রত্যাবাসন তাদের জন্য একটি কঠোর বার্তা। মানবপাচারকারী বা চোরাচালানকারীদের অর্থ দিয়ে কোনো লাভ নেই; বরং এটি কালোবাজারিকে শোষণের সুযোগ করে দেয়।
যদি আপনি লিবিয়া থেকে নৌকায় অবৈধভাবে ইতালিতে আসেন অথবা ভুয়া বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করেন, তাহলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনাকে প্রত্যাবর্তন করা হবে। এ ছাড়াও যাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে, তারা ইতালি ও ইউরোপীয় আইনের আওতায় অন্তত ৩ বছরের জন্য ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশগুলোতে প্রবেশ থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন। অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই, বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসন প্রচার এবং প্রকৃত অভিবাসীদের নির্যাতন ও শোষণ থেকে রক্ষা করতে ইতালির ক্রমবর্ধমান প্রতিশ্রুতির কাঠামোর মধ্যে এই প্রত্যাবর্তন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।



