• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

৫১ শতাংশের বেশি মানুষ এখনো ব্যাংকিং সেবার বাইরে 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ ফেরুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১:০২ এএম
৫১ শতাংশের বেশি মানুষ এখনো ব্যাংকিং সেবার বাইরে 
বাংলাদেশ ব্যাংক

নিউজ ডেস্ক : ব্যাংকিং বা আর্থিক সেবায় এখনো দেশের বেশির ভাগ মানুষ এই সেবার বাইরে। শহর-উপশহরে ব্যাংকের শাখা পৌঁছে গেছে। গ্রাম্যবাজারগুলোতে ব্যাংকের শাখা না থাকলেও এজেন্ট ব্যাংকিং চলে গেছে। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং—এই চার মাধ্যমে দেশের প্রায় সব মানুষের কাছে পৌঁছে গেছে ব্যাংকিং সেবা। এখন সেবা গ্রহণে ইচ্ছুক যে কেউ চাইলে হিসাব খুলে সেবা নিতে পারছেন।

সদ্য প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২২’ (এসভিআরএস) শীর্ষক জরিপ থেকে জানা গেছে, দেশের ৫১ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ ব্যাংকিং সেবার বাইরে রয়েছেন। আর সেবা নিচ্ছেন ৪৮ দশমিক ৫০ শতাংশ মানুষ। ব্যাংকিং সেবার বাইরে বেশি রয়েছেন নারীরা। আর দেশের প্রশাসনিক বিভাগগুলোর মধ্যে খুলনা বিভাগের মানুষ সবচেয়ে বেশি ব্যাংকিং সেবা নিচ্ছেন। সব চেয়ে পিছিয়ে আছেন সিলেট বিভাগের মানুষ।

বিবিএসের জরিপ বলছে, গত ১২ মাসের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের (১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী) মধ্যে যাদের ব্যাংক বা অন্য কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হিসাব (নিজের নামে অথবা যৌথ নামে) বা ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোনো আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট আছে, তারা আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে যুক্ত হয়েছেন বলে জরিপে বিবেচনা করা হয়েছে। একটি ব্যক্তি অ্যাকাউন্টের মালিকানা বলতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো নিয়ন্ত্রিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেমন—ব্যাংক, ঋণদানকারী সংস্থা (ক্রেডিট ইউনিয়ন), ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, পোস্ট অফিস অথবা মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানে একটি ব্যক্তিগত বা যৌথ মালিকানাধীন হিসাবকে বোঝানো হয়েছে।

দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকার মূল কারণ হিসেবে দারিদ্র্য, শিক্ষার অভাব ও সেবা সহজলভ্য না হওয়াকে দায়ী করছেন অর্থনীতিবিদরা। 

অর্থনীতিবিদদের মতে, আর্থিক সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে ব্যাংকিং সেবা সহজলভ্য করতে হবে। 

জরিপে জানিয়েছে, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর অর্থাৎ ৪৮ দশমিক ৫০ শতাংশ কোনো না কোনো ব্যাংক বা অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট আছে। 

সব পর্যায়ে নারীরা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। দেশের প্রশাসনিক বিভাগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আছে খুলনা বিভাগে। এ বিভাগে প্রাপ্তবয়স্কদের ৫৫ দশমিক ৭০ শতাংশ আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় আছেন। অন্যদিকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে সিলেট বিভাগ। এ বিভাগে ব্যাংকিং বা আর্থিক পরিসেবা অভিগম্যতার আওতায় এসেছে ৪০ দশমিক ১৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image