• ঢাকা
  • বুধবার, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৯ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

রাজ আমার স্বামী এটা আর ভাবতে চাই না: পরী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৪ জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৪২ পিএম
আমার স্বামী এটা আর ভাবতে চাই না
রাজ-পরী

বিনোদন ডেস্ক : পরীমণির বাসা থেকে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে বেরিয়ে গেছেন রাজ ২০ মে। এরপর তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ রাখেননি তিনি। তারপর গত ২৯ মে মধ্যরাতে রাজের ফেসবুক থেকে তিশা, তুষি ও সুনেরাহর সঙ্গে তার ছবি-ভিডিও ফাঁস হয়। এই ঘটনার পর পরীমণিকে সন্দেহ করেন রাজ। সেইসঙ্গে তার সঙ্গে সংসার করতে রাজি নন এ নায়ক।

‘দামাল’ সিনেমা মুক্তির সময় মিমের সঙ্গে রাজের সম্পর্ক জড়িয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন পরীমণি। তখন থেকে দাম্পত্য জীবনের অবনতি হয়েছে রাজ-পরীর। 

এই কথা স্বীকার করে পরী  বলছেন, ‘ছবির মুক্তির সময় থেকেই আমাদের সম্পর্ক স্বাভাবিক যাচ্ছিল না। রাজ আগের মতো নিয়মিত বাসায় থাকত না। বিশ্বাস করেন, কিছুদিন আগে আমি হাসপাতালে ছিলাম, আমাকে দেখতেও যায়নি সে। আমার সঙ্গে তার এখন শারীরিক, মানসিক কোনো অ্যাটাচমেন্টই নাই। আমি যখন হাসপাতালে, তখনই বাসায় রাজ তার জিনিসপত্র গুছিয়ে রেখেছিল। আগেই প্রস্তুত ছিল বাসা থেকে বেরিয়ে যাবে। সম্পর্ক রাখবে না। এভাবে তো আর সংসার, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

তাহলে কি বিচ্ছেদের দিকে যাচ্ছে সংসার? এমন প্রশ্নে পরীর বলেন, ও তো আমাকে ছেড়েই চলে গেছে, বিচ্ছেদ তো হয়েই গেছে। আমি আর কল্পনাতেও ভাবতে চাই না শরিফুল রাজ আমার জামাই। একটা মানুষ চলে গেলে তো আর ধরে রাখা যায় না। রাজ এখন বলে কী, আমাদের বিয়ের কাবিননামা নাকি ভুল। আমাদের নাকি ঠিকঠিক বিয়েই হয়নি। যে এভাবে বলতে পারে, সে ভয়ংকর মানুষ। তার সঙ্গে থাকা যাবে না। আমি চাই সে আমাকে তালাক দিয়ে দিক। আমি ওর প্রাক্তন, এটাই শুনতে আমার আরাম লাগবে। আমি রাজের বউ, এটি আর শুনতে চাই না।

পরীমণি সেদিনের ঘঠনা বর্ণনা দেন এভাবে, ‘রাজ বাইরে ছিল। সেলিম ভাই ও তার বউ তাকে সঙ্গে নিয়ে বাসায় এসেছিল। সম্ভবত, এটি গত ২০ মের ঘটনা। আসার আগে সেলিম ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বললেন, আমি রাজকে সঙ্গে করে নিয়ে তোমার বাসায় আসছি। এসে বলেন, রাজ তো তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না। বিচ্ছেদের ব্যাপারে চিন্তা করতে পারো। আমি বললাম, ও আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাহলে ও–ই আমাকে ডিভোর্স দিক। আমি কেন দিতে যাব। পরে সেলিম ভাই বললেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়, তাহলে বাচ্চাকে দেখভাল  কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখো। এরপর আমি বললাম, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময় বাসায় আসলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত চারটায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তাহলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নাই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।’

পরী আরও বলেন, এসব বিষয় নিয়ে ওই রাতে সেলিম ভাইয়ের সঙ্গে আমার অনেক কথা–কাটাকাটি হয়। রাজের সঙ্গেও হয়েছে। কারণ, ওই দিন বিভিন্নজনের সঙ্গে মিলিয়ে রাজ আমার চরিত্র নিয়েও অনেক কথা তুলেছিল। একটা পর্যায়ে সেলিম ভাই, তার বউসহ রাজ তার সব জিনিসপত্র নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে। এরপর আর আসেনি।

সন্তানের দিকে তাকিয়ে যদি রাজ পুনরায় ফিরে আসেন, তাহলে তাকে গ্রহণ করবেন না বলে জানালেন পরীমণি। যিনি তার স্ত্রী ও বাচ্চার মায়ের চরিত্র নিয়ে নেতিবাচক কথা বলতে পারেন তার আর ফিরে আসার সুযোগ নেই ।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image