• ঢাকা
  • বুধবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ২১ ফেরুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

ইবির লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রথম পুনর্মিলনী ১০ ফেব্রুয়ারী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:২১ পিএম
ইবির লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রথম পুনর্মিলনী ১০ ফেব্রুয়ারী
লোকপ্রশাসন বিভাগ

ইবি প্রতিনিধি: প্রথমবারের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত লোকপ্রশাসন বিভাগের পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই পুনর্মিলনী।

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারী) সকালে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব জানান লোকপ্রশাসন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. ফখরুল ইসলাম। পুনর্মিলনী উৎসব ঘিরে মীর মোশাররফ হোসেন ভবন ও  সংলগ্ন রাস্তার শোভা বাড়াচ্ছে লাল-নীল ঝাড়বাতি। বিভাগ প্রাঙ্গনে অঙ্কিত হচ্ছে রংবেরঙের আল্পনা।

বিভাগ সুত্রে জানা যায়, অনলাইন গুগল ফর্মের মাধ্যমে সাবেক ৫৮২ জন ও বর্তমানে অধ্যয়নরত ৩১৬ জন শিক্ষার্থী পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণ নেওয়ার নিমিত্তে ইতোমধ্যে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে। এখানে সাবেক শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫০০ টাকা এবং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৬০০ টাকা চাঁদা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ১৯৯০-৯১ সেশন থেকে শুরু করে ২০২২-২৩ সেশন পর্যন্ত সর্বমোট ৩২টি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছে।

পুনর্মিলনী উপলক্ষে আগের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন ভবনের দ্বিতীয় তলায় সাবেক শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পিঠা উৎসব, লালন সংগীত ও চা-চক্রেরও আয়োজন থাকবে। পুনর্মিলনীর দিন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে দিনব্যাপী আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণ, ডকুমেন্টারি পরিবেশন, ফটোসেশন, র‍্যাফেল ড্র ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ নানা আয়োজন করা হয়েছে।

এবিষয়ে পুনর্মিলনীর আহবায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, লোকপ্রশাসন বিভাগ প্রথমবারের মতো এই পুনর্মিলনীর আয়োজন করতে যাচ্ছে। একই সাথে বিভাগের সাবেক ছাত্র এবং শিক্ষক হিসেবে আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার বয়সের ব্যবধান ঘুচিয়ে আমি যে ৯২-৯৩ সেশনের ছাত্র ছিলাম সেখানে ফিরিয়ে নিয়েছে। সেই সময়ে শিক্ষক, বড় ভাই, সহপাঠীদের সাথে ক্যাম্পাসে-হলে যে বিচরণ ছিলো সেই স্বাদ পাচ্ছি।

জানতে চাইলে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড.  মোঃ ফকরুল ইসলাম বলেন, আয়োজনটি আয়োজন করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত এবং নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। দেরীতে হলেও আমরা এতো সুন্দর একটি আয়োজন করতে যাচ্ছি। আমি এই শুভক্ষণে সাবেক শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাই এবং আমি আমার বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের সুস্বাগতম জানাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে অবশ্যই এধরণের উদ্যোগ নেয়া উচিত। পুরাতনদের বাস্তবভিত্তিক অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ বর্তমান শিক্ষার্থীদের উজ্জিবিত করবে। বর্তমান বিশ্বের এই চাহিদাকে মাথায় রেখে আমাদের বিভাগের পক্ষ থেকে এধরণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমার কাছে মনে হয়েছে যারা বর্তমানে ছাত্র তাদের জন্য সহায়ক একটি উদ্যোগ হবে এবং তাদের অনুপ্রাণিত করবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image