• ঢাকা
  • রবিবার, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২১ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

অবন্তিকার আত্মহত্যায় শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মান রিমান্ড মঞ্জুর


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০১:০৪ পিএম
অবন্তিকার আত্মহত্যায় রিমান্ড মঞ্জুর
শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মান

নিউজ ডেস্ক : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় প্ররোচনার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামের ১ দিন ও সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীর ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন কুমিল্লার আদালত।

সোমবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টায় কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বকর সিদ্দিকের আদালতে অভিযুক্তদের হাজির করা হয়। এরপর পুলিশ শিক্ষক দ্বীন ইসলামের দুদিন ও সহপাঠী আম্মানের পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করে। এরপর শুনানি শেষে আদালত শিক্ষকের একদিন ও সহপাঠীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানান কুমিল্লার কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন।

গত রোববার রাতে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছ থেকে দুইজনকে কুমিল্লায় নিয়ে যায়।

এর আগে গত শনিবার রাতে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম ব্যাচের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকীকে আসামি করে মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, অবন্তিকার সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকী অফলাইনে ও অনলাইনে অবন্তিকাকে যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামের কাছে অভিযোগ করলে তিনি অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো অবন্তিকাকেই নানাভাবে অপমান করে আসছিলেন।

অবন্তিকার সহপাঠীদের আন্দোলন ও আলটিমেটামের ফলে অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তার সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মান ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে ডিএমপি পুলিশ আটক করে।

গত শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাতে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানকে (আম্মান সিদ্দিকী) দায়ী করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ফাইরুজ অবন্তিকা। এরপর থেকে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়। পরে উপাচার্য এসে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ক্লাসমেট আম্মান সিদ্দিকী, আর সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম মিলে অবন্তিকাকে অনলাইন ও সরাসরি হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি। তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। একে হত্যা দাবি করে জড়িতদের বিচার দাবি তাদের।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image