• ঢাকা
  • রবিবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৯ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

মাটিরাংগায় এলজিইডি কতৃক পুকুর ছাড়াই পাহাড়ে ঘাটলা নির্মাণ 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:২৫ পিএম
মাটিরাংগায় এলজিইডি কতৃক
পুকুর ছাড়াই পাহাড়ে ঘাটলা নির্মাণ 

রিপন সরকার, খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) কতৃক ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছরে প্রায় ৮০ লক্ষ্য টাকা ব্যায়ে  পুকুর  ছাড়াই ঘাটলা নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।

মাটিরাংগা উপজেলার আমতলী ইউনিয়নে পাহাড়ের ওপর কোনো পুকুর ছাড়াই এমন দুটি ঘাটলা নির্মাণ করা হয়। এই ঘাটলা জনকল্যাণে কোনো কাজে না এসে বরং সরকারের লাখ লাখ টাকার অপচয় হয়েছে বলে মনে করেছেন স্থানীয়রা।

জানা যায়, সারা দেশে পুকুর ও খাল উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ৪টি পুকুর খনন ও ঘাটলা নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি)। এর মধ্যে আব্বাস সর্দারপাড়া জামে মসজিদ ও আমতলী আদর্শপাড়া মসজিদের এখানে পুকুরের অস্তিত্ব ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে ঘাটলা। ঘাটলা দুটি কোনো কাজেই আসছে না। 

দুই পাহাড়ের মাঝখানের জায়গাকে পুকুর দেখিয়েই এখানে ঘাটলা নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। 

আদর্শ পাড়া জামে মসজিদের সভাপতি এমরান হোসেন বলেন, এই এলাকায় কোনো পুকুর নেই। মসজিদের পুকুর দেখিয়ে ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার প্রকল্প বানিয়ে তা আত্মসাতের উদ্দেশ্যেই পাহাড়ের ওপর ঘাটলা নির্মাণ করা হয়। এগুলো উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দুর্নীতি ছাড়া কিছু নয় বলেও জানান তিনি। 

স্থানীয় বাসিন্দা মো,আব্দুর রহিম, মোঃ শাহজাহান, কবির আহম্মেদ, তোফাজ্জল হোসেনসহ এলাকাবাসিরা জানান, এলাকাবাসী হিসেবে কেউই সংশ্লিষ্ট দফতরে পাহাড়ের ওপর পুকুরের ঘাটলা নির্মাণের জন্য আবেদন করেনি। সরকারি খাস জায়গায় দু’পাহাড়ের মাঝখানে এ ধরনের ঘাটলা নির্মাণ দেখে হতবাক তারা।  

দরপত্র অনুযায়ী এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ করেছে মেসার্স রুবেল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ দিকে ঘাটলা নির্মাণে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হননি মাটিরাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহজাহান। এমনকি একাজের জন্য বরাদ্দ কতো, কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি করেছে তাও জানাতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। 

মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম জানান, এই ঘটনা সত্য হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারের অর্থ ব্যয়ে অপ্রয়োজনীয় স্থানে কেন ঘাটলা তৈরি করা হলো তা খতিয়ে দেখা হবে। 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image