• ঢাকা
  • বুধবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২৯ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহে থাকছে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৯ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০:২৪ এএম
থাকছে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা 
এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ

দিনাজপুর প্রতিনিধি : পবিএ ঈদ- উল ফিতরে দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠানের লক্ষে সকল প্রস্তুুতি সম্পন্ন  করা হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইদগাহ দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর- এ - শহীদ বড় ময়দান। মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা। 

সুষ্ঠও শান্তিপূর্ণভাবে  নামাজ আদায়ের লক্ষে মাঠে মাটি ভরাট, লাইনটানা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে মিনার রং করা ধোঁয়া মুছাসহ আনুষঙ্গিক কাজ প্রায় শেষ। এশিয়ার সর্ববৃহৎ জামাতে অংশ নিতে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো সহ দেশের দূরদূরান্ত থেকে আগত মুসলিমদের জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ঈদুল ফিতরের দিন সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের জামাত। বৃহৎ এই ঈদের জামাতে ইমামতি করবেন মাওলানা সামশুল আলম কাশেমী।
মুসল্লিদের জন্য তিন স্তরে  নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। মাঠের বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। দক্ষিণ এশিয়ার ঈদগাহে গত প্রায় একমাস থেকে চলছে প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সকল প্রস্তুতি। 
দিনাজপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় গোর-এ- শহীদ বড় ময়দানের আয়তন সাড়ে ২২ একর। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে এই মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে বড় কোন মিম্বার ছিল না। ২০১৫ সালে স্থানীয় সংসদ ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি মিনার নির্মাণের পরিকল্পনা ও অর্থায়ন করেন। এরপর ২০১৭ সালের সম্পন্ন হয় নির্মাণকাজ। নির্মিত ৫২ টি গম্বুজের ঈদগার মিনার তৈরিতে খরচ হয়েছে তিন কোটি আশি লাখ টাকা। গম্বুজগুলোর দুই ধারে ৬০ ফুট করে দুটি মিনার, মাঝের দুটি মিনার ৫০ ফুট করে। ঈদগায় মাঠের মিনারের প্রথম গম্বুজ অর্থাৎ যেখানে ঈমান দাঁড়াবেন তার উচ্চতা ৪৭ ফিট। এর সঙ্গে রয়েছে আরো ৪৯ টি গম্বুজ।এছাড়া ৫১৬ ফিট লম্বায় ৩২ টি আর্চ নির্মাণ করা হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় এত বড় ঈদগা মাঠ দ্বিতীয়টি নেই। পুরো মিনার সিরামিক্স দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে প্রতিটি গম্বুজ ও মিনারে রয়েছে বৈদ্যুতিক লাইটিং রাতে ঈদগা মিনার আলোকিত হয়ে ওঠে। মুসল্লীদের জন্য তিনশ টি ওযু খানা, ৪০টি টয়লেট ও খাবার পানি সরবরাহের জন্য পাঁচটি পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। মুসল্লিদের সুবিধার্থে দিনাজপুর পার্বতীপুর থেকে একটি এবং ঠাকুরগাঁও  থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তা স্বার্থে পুলিশ বিজিবি র‍্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদার করা হয়েছে। ঈদগাহ মাঠে স্থাপন করা হয়েছে ৫০ টি সিসি ক্যামেরা। মাঠের মাঝখানে স্থাপন করা হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার।

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঈদগাহ মিনারের উদ্যোক্তা ও পরিকল্পনাকারী এবং ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি জানান শোলাকিয়া একটি ঐতিহ্যবাহী মাঠ তবে আয়তনের দিক দিয়ে দিনাজপুর ঈদগা মাঠ চার গুণ বড়। গোর- এ - শহীদ ময়দানের আয়তন প্রায় ২২ একর উপমহাদেশে এত বড় ঈদগাহ আর নেই। এখানে দিনাজপুর জেলা সহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image