• ঢাকা
  • শনিবার, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২২ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

যারা দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে, তাদের নিয়ে চলব: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ০২ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১২:১৭ পিএম
যারা দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার দরকার উন্নয়ন, বাংলাদেশের উন্নয়নে যারা সহযোগিতা করবে, আমি তাদের নিয়ে চলব৷ সেভাবেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি৷’

রোববার (২ জুন) গণভবনে ‘আমার চোখে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইতিহাস বিকৃতি এখন মুছে গেছে৷ মানুষের সামনে সঠিক ইতিহাস উঠে এসেছে৷

১৫ আগস্টের স্মৃতিচারণা করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর, জার্মানিতে ৬ বছর নির্বাসনে থাকাকালীন জয়-পুতুল খুব দেশে আসতে চাইত৷ সারা দিন কান্নাকাটি করত৷ ইন্দিরা গান্ধীও অনেক চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু আমাদের দেশে আসতে দেয়া হয়নি৷

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন৷ সবাই সেটা জানতেন; কিন্তু স্বাধীনতার কথা মুখে বলা বারণ ছিল৷
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে একশ্রেণির লোক আছে যারা বেশ জ্ঞানী-গুণী, কিন্তু তারা শুধু নিজেদের আরাম-আয়েশের দিকে বেশি তাকায়৷ তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ শক্তিশালী হবে, সিদ্ধান্ত নেবে, ক্ষমতাসীন হবে–এটা তারা মানতে পারে না, পছন্দ করে না৷

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকেই স্যাটেলাইটের সমালোচনা করছেন। তারা আসলে কিছু ভালো না-লাগা গ্রুপ৷ আবার কিছু তৈরি হয়ে গেলে খুব মজা করে তারা ব্যবহার করেন৷

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পাকিস্তান আমলে স্বামীর কর্মস্থল ইতালি যাওয়ার জন্য ঢাকা থেকে ভিসা পেতাম না৷ তারপর করাচি গিয়ে ভিসা করে যেতে হতো৷ এখান থেকে কোথাও যাওয়া যেত না৷ সবকিছুই হতো করাচিকেন্দ্রিক৷
 
তিনি বলেন, তারা সবসময় এটা অর্জনের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে৷ আর তাদের সঙ্গে ইন্ধন জোগায় স্বাধীনতাবিরোধী দেশগুলো, যারা সেভেন ফ্লিট পাঠিয়েছিল। তাদের কাছে বাংলাদেশের বিজয় গ্রহণযোগ্য ছিল না৷

প্রতিযোগীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের তৈরি করতে হবে৷ রেহানা ও আমি ছেলেমেয়েদের একটা জিনিস শিখিয়েছি যে, তোমাদের জন্য কোনো সম্পদ রেখে যেতে পারব না৷ তোমাদের একটাই সম্পদ, সেটা হলো শিক্ষা৷ এটা অর্জন করলে কেউ ছিনতাই-হাইজ্যাক করতে পারবে না৷ কেননা, জ্ঞান তো কেড়ে নেয়া যায় না৷’

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সময় আমি আর রেহানা নিজেরাই ঘর মোছা, কাপড় কাচা, রান্নাসহ সব কাজ নিজেরা করেছি৷ কাজ করতে কখনও লজ্জাবোধ করি না৷’

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image