• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৭ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ভারতীয় কাপড় জব্দ করলেন আখাউড়া স্থলবন্দর কাস্টমস


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:৫৩ পিএম
জিন্স প্যান্ট, শাড়ী, শার্ট, পায়জামা ইত্যাদি রয়েছে
আখাউড়া স্থলবন্দর কাস্টমস

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া চেকপোষ্টে লাগেজ পার্টির প্রায় ৭ লাখ টাকার ভারতীয় কাপড় জব্দ করেছেন আখাউড়া কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। শনিবার বিকালে ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা-আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট হয়ে আসা বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী ৪ নাগরিকের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রকার ১৪৭০ পিস কাপড় জব্দ করা হয়। বাংলাদেশী ওই নাগরিকরা হলেন, চট্টগ্রামের সাদ্দাম হোসেন,শওকত ওসনান,খোরশেদুল আলম ও মোহাম্মদ ইমতিয়াজ। কাপড়গুলো চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

 কাস্টমস  সূত্রে জানা যায়, বিকালে ৪ যুবক ১২টি বড় বড় ব্যাগ নিয়ে ইমিগ্রেশনে প্রবেশ করে। ইমিগ্রেশন শেষ করেও তারা  কাস্টমসে না এসে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিকল্প পথে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। গোপন সংবাদে জানতে পেরে কাস্টমস গোয়েন্দা নজর দারি করে তাদেরকে কাস্টমস নিয়ে আসে। পরে তাদের সঙ্গে থাকা ১২ টি ব্যাগে বিভিন্ন ধরনের ১৪৭০ পিস কাপড় পাওয়া যায়। এগুলার মধ্যে থ্রি-পিস, পাঞ্জাবী, টি-শার্ট, ওরনা, জিন্স প্যান্ট, শাড়ী, শার্ট, পায়জামা ইত্যাদি রয়েছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৭লাখ টাকা হবে।

খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ী ও স্থলবন্দরের ১০/১৫ জনের একটি চক্র দীর্ঘ দিন ধরে আখাউড়া স্থল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার কাপড় বাংলাদেশে নিয়ে আসছে। ভারতীয় কিছু নাগরিকও লাভজনক হওয়ায় এ পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে কাপড় আমদানীর সরকারী আদেশ না থাকায় ওই চক্রটি বেশির ভাগ সময়ই টেক্স ফাঁকি দিয়ে এসব কাপড় নিয়ে আসে। মাঝে মাঝে কাস্টমের ধরা পড়লে প্রভাব খাটিয়ে কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে টেক্স কমিয়ে কাপড় ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এভাবে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অপরদিকে ভারতীয় কাপড় আসায় বাংলাদেশী কাপড়ের বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আখাউড়া কাস্টমস স্থল বন্দরের শুল্ক রাজস্ব কর্মকর্তা নোমান সিদ্দিকী বলেন, পণ্যগুলো অবৈধ না হওয়ায় আপাতত এগুলো জব্দ তালিকা করে রাখা হয়েছে। পণ্যগুলোর টেক্স পরিশোধের মাধ্যমে মালিকগন ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে পারবেন। আমরা প্রাথমিক ভাবে ধারনা করছি এই পণ্যগুলো থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ্য টাকা রাজস্ব আদায় করতে পারব। কাপড়ের মালিকরা যদি রাজস্ব পরিশোধ করে তাহলে কাপড়গুলো ফেরত দেওয়া হবে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমপরিমাণ রাজস্ব পরিশোধ করতে না পারে তাহলে এগেুলো পুরোপুরি জব্দ করে দেওয়া হবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image