• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দায়িত্ব সকলের, শুধু আ.লীগের নয়


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ ফেরুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:০৬ পিএম
গ্রগণযোগ্য নির্বাচন
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি

ডেস্ক রির্পোট: অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহনযোগ্য অবাধ নির্বাচন করার দায়িত্ব বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলের। এটি শুধু আ.লীগ একার নয় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী।

কেউ যদি নির্বাচন বর্জন করে কিংবা প্রতিহতের অপচেষ্ঠা চালায় সেক্ষেত্রে নির্বাচনক অংশগ্রহনমূলক না হওযার কিংবা অগ্রহনযোগ্য করার দায়-দায়িত্বও তাদের বলেন তিনি।

শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের দেওয়ানজী পুকুর পাড়স্থ বাসভবনে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংকালে নির্বাচনের একবছর পূর্বে বিদেশীদের আনাগোনা বৃদ্ধির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বলেন, আমরা চাই একটি অংশগ্রহনমূলক অবাধ সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী দিনের সরকার নির্বাচিত হোক। আমরা এ বিষয়টি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রদুতদেরু জানিয়েছি। এবং অন্যদেরও সেই কথাটি বলা হচ্ছে। আমরাও চাই দেশে আগামী নির্বাচনে বিএনপিসহ সমস্ত রাজনৈতিক দল অংশগ্রহন করুক।

আরও বলেন, বিদেশীদের আনাগোনা সবসময় ছিল, বিদেশীদের আনাগোনা বেশি হওয়া ভালো, তারা বাংলাদেশের ওপর ইন্টেরেস্ট ফিল করছে। বাংলাদেশ যেহেতু ইমার্জি ইকোনমি, বিদেশীরা একটু বেশি আসবে। আমাদের বাণিজ্য বহুমূখীকরণ হবে, আমরা আমাদের পণ্য বিক্রি করতে পারবো। তাদের আগ্রহ আছে বিদায় আসছে, এটি দেশের জন্য ভালো।

আওয়ামীর লীগের এ সিনিয়র নেতা বলেন, ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে যখন আমরা সরকার গঠন করি তখন আকার অনুযায়ি পৃথিবীর ষাটতম অর্থনীতির দেশ। সেখান থেকে জিডিপির বিচারে ২৫টি দেশকে পেছনে ফেলে গত ১৪ বছরে আমরা জিডিপিতে ৩৫তম পিপিপিতে ৩১তম অর্থনীতির দেশে উন্নিত হয়েছি। আগামী কয়েকবছর পর বাংলাদেশের ক্রম আরো উপরে উঠবে। বাংলাদেশ ইকোনোমিকেলি ইমার্জিং টাইগার, সেজন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করছে। সেই আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন দেশের কুটনীতিকরা এবং বিভিন্ন অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের আনাগোনা বাংলাদেশে অতীতের তুলনায় বেড়েছে। যেই দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা বাজার বড় এবং ক্রম সম্প্রসারমান, সেখানে অন্যান্য দেশ যারা আমাদের সাথে কাজ করতে চাই তাদের আগ্রহ বাড়বে এটাই খুব স্বাভাবিক। সেই কারণেই তাদের আনাগোনা আসা-যাওয়া বেড়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেছেন এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনেই তাদের আস্থা নেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই তারা নির্বাচনে যাবে এবিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে মূর্খের মত বারবার সরকারের অধীনে নির্বাচন কেন বলেন সেটিই হচ্ছে আমার প্রশ্ন? নির্বাচন হয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে, সরকার তখন শুধু ফ্যাসিলিটেটরের ভুমিকা পালন করে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যেমন একটি পক্ষ বিএনপিও একটা পক্ষ। আমরা সবাই নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচনে অংশগ্রহন করি।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান ছাড়া পৃথিবীর কোথাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নাই। ওনারা পাকিস্তানকে কেন এত অনুকরণ করেন সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন ? বাংলাদেশে আর কখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবেনা, ভারত অস্ট্রেলিয়া জাপান ইউকে কন্টিনেন্টাল ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ সমস্ত সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে যেইভাবে নির্বাচন হয় বাংলাদেশেও ঠিক সেইভাবে নির্বাচন হবে। চলতি সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে। পাকিস্তানের আদলে স্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই।

ঢাকানিউজ২৪.কম / এম আর

আরো পড়ুন

banner image
banner image