• ঢাকা
  • বুধবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ২১ ফেরুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবেনা  : বিজিবি প্রধান


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ০৭ ফেরুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০২:২৩ পিএম
আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবেনা
বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী

জাফর আলম, কক্সবাজার : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) মধ্যে চলমান সংঘর্ষের মাঝে বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। তিনি বলেন, সীমান্তে আর একটি লাশও চাই না। মিয়ানমারের চলমান সংঘর্ষে বিভিন্ন সময় গোলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সে জন্য নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে হবে। 

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার গোলাগুলির পরিমাণ কম জানিয়ে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি কমে এসেছে। পরিস্থিতি এখনও বিজিবির কন্ট্রোলে রয়েছে। কোনও সীমন্তই অরক্ষিত নয়। আড়াইশ কিলোমিটারের বেশি সীমান্তের সবখানেই বিজিবি তৎপর রয়েছে।কোনও ধরনের অনুপ্রবেশকারীকে আর ঢুকতে দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী, সেনা ও শুল্ক কর্মকর্তাসহ ২৬৪ জন পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের সে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কাজ করছে। তারাও (মিয়ানমার) ফেরত যাবার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিজিবি প্রধান বলেন, ‘সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিজিবির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ধৈর্য ধারণ করে, মানবিক থেকে এবং আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, অবৈধভাবে আর একজনকেও বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তে উদ্ভূত যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সীমান্তে সংঘর্ষের জেরে বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গুলি ও মর্টার শেল এসে পড়ার বিষয়টি উল্লেখ তিনি বলেন, ‘সংঘর্ষে গোলাগুলির ঘটনায় সীমান্ত অতিক্রম করে গুলি ও মর্টার শেল আসা এবং হতাহতের বিষয়টি প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরা চাই, এপারে যাতে গুলি এসে পড়া শূন্যের কোটায় এসে পড়ে।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন,শুধু সে দেশের সীমান্তরক্ষী নয়, কিছু উচ্ছৃঙ্খল রোহিঙ্গা যুবককেও আটক করা হয়েছে। তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

এ ছাড়াও এখন পর্যন্ত ৭৫ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশকালে টেকনাফ পয়েন্ট থেকে পুশব্যাক করা হয়েছে।পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে বিজিবি সদর দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, কক্সবাজার আঞ্চলিক কমান্ডার, রামু সেক্টর কমান্ডার ও কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়কসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিজিবি মহাপরিচালক মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘর্ষের জেরে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি), মিয়ানমার সেনাবাহিনী, ইমিগ্রেশন সদস্য, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার সকল সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং আহত অবস্থায় আগত ও হাসপাতালে চিকিৎসারত বিজিপি সদস্যদের সরেজমিনে দেখতে যান।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image