• ঢাকা
  • শনিবার, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

ঈদের পর ভাঙা হবে কারওয়ান বাজারের  ঝুঁকিপূর্ণ ভবন: মেয়র আতিক 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১:২৬ এএম
ঈদের পর ভাঙা হবে কারওয়ান বাজারের  ঝুঁকিপূর্ণ ভবন
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ঈদের পর কারওয়ান বাজারে ডিএনসিসির পরিত্যক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ভেঙে ফেলা হবে। কারওয়ান বাজারের কাঁচাবাজারের ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ; যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের কারণে বহু মানুষের জীবন হুমকিতে আছে।

রাজধানীর গাবতলীতে সোমবার ডিএনসিসির প্রস্তাবিত কাঁচাবাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের গাবতলীর আমিনবাজার পাইকারি কাঁচাবাজারে স্থানান্তর নিয়ে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। 

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, কারওয়ান বাজারের পাইকারি কাঁচাবাজারের এ ব্যবসায়ীদের গাবতলীতে ডিএনসিসির পাইকারি কাঁচাবাজারে স্থানান্তর করা হবে। দ্রুতই গাবতলীতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। বরাদ্দ দেওয়া হলে আপনারা যারা আসবেন না, তাদের দায় নিজেদের নিতে হবে। বরাদ্দ পেয়ে কেউ না এলে নিয়ম অনুযায়ী অন্যজনকে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কারওয়ান বাজার ঢাকার প্রাণকেন্দ্র। একটি সিটির প্রাণকেন্দ্রে পাইকারি কাঁচাবাজার থাকতে পারে না। ট্রাক আসছে-যাচ্ছে; রাস্তা বন্ধ করে মালপত্র নামছে। কোনো শৃঙ্খলা নেই। রাস্তায় প্রচণ্ড ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়।

মেয়র বলেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে কারওয়ান বাজারকে সুন্দর করে সাজাতে চাই। আমরা একটি কমিটি করে দিয়েছিলাম। পর্যায়ক্রমে বাজারের ব্যবসায়ীদের স্থানান্তর করা হবে। গাবতলীতে যে কাঁচাবাজারটি রয়েছে, সেটি পরিকল্পিতভাবে সব কমপ্লায়েন্স মেইনটেইন করে নির্মাণ করা হয়েছে। অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ড ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ। চারটি বহির্গমন পথ রয়েছে। ট্রাক থেকে মালপত্র আনলোড করারও যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখা আছে। বিশ্রামাগারও করা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, কারওয়ান বাজারে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বা আগুন লাগলে বহু মানুষ হতাহত হবে। আমরা আর মৃত্যুর মিছিল দেখতে চাই না। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কোনো ব্যবসা চলতে দেওয়া যাবে না। ঈদের পর ব্যবসায়ীদের স্থানান্তর শুরু হবে; প্রস্তুতি নিন। তিনি বলেন, আপনাদের অবশ্যই এ সুযোগ গ্রহণ করা উচিত। 

আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রথম ধাপে কারওয়ান বাজার আড়ত মার্কেটের প্রথম তলার ৪০০ বর্গফুটের ৬২টি দোকান এবং দ্বিতীয় তলার ১৭০ বর্গফুটের ১১৪টি দোকান; অর্থাৎ ১৭৬টি দোকান স্থানান্তর করা হবে। এ ছাড়া ১৮০টি টিনশেড দোকান আমিনবাজারে পাইকারি কাঁচাবাজারের আশপাশের উন্মুক্ত স্থানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মতবিনিময় সভায়  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর বলেন, কারওয়ান বাজারটি ঢাকার প্রান্তে স্থানান্তরের মাধ্যমে স্মার্ট শহর নিশ্চিত করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন হতেই হবে। আর গাবতলীতে বাজার শুরু হলে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সার্বিক ব্যবস্থা নেবে। 
মতবিনিময় সভা শুরুর আগে ডিএনসিসি মেয়র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাবতলী পাইকারি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখেন। 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image