• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২৩ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

বহুল প্রত্যাশিত 'সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি'র উদ্বোধন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ আগষ্ট, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৪৩ এএম
বহুল প্রত্যাশিত 'সর্বজনীন
পেনশন কর্মসূচি'র উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক : 'সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি' আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে আজ বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে সকাল ১০টায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। 

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ ইসমাত মাহমুদ এ তথ্য জানান। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

৩১ জানুয়ারি আইনটিতে সম্মতি দেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। জাতীয় সংসদের গত অধিবেশনে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩ পাস হয়। পরে ১৩ আগস্ট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা আর সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসিক চাঁদা ধরা হয়েছে। কর্মসূচি পরিবর্তন এবং চাঁদার পরিমাণ বাড়ানোর সুযোগ থাকছে।

১৮ বছর থেকে ৫০ বছর বয়সী সব নাগরিক নির্ধারিত হারে চাঁদা পরিশোধ করে ৬০ বছর পূর্তির পর আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবে।

বিশেষ বিবেচনায় ৫০ বছরের বেশি বয়সীরাও এই আইনের আওতায় নিরবচ্ছিন্ন ১০ বছর চাঁদা পরিশোধ করে পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে স্কিমে অংশগ্রহণের তারিখ থেকে নিরবচ্ছিন্ন ১০ বছর চাঁদা প্রদান শেষে তিনি যে বয়সে উপনীত হবেন, সে বয়স থেকে আজীবন পেনশন প্রাপ্য হবেন। আজীবন বলতে পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়েছে।

ধারাবাহিকভাবে কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দিলে মাসিক পেনশন পাবেন। চাঁদা দাতার বয়স ৬০ বছর পূর্তিতে পেনশন তহবিলে পুঞ্জীভূত মুনাফাসহ জমার বিপরীতে পেনশন দেওয়া হবে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন।

এতে বলা হয়েছে অসচ্ছল ও নিম্ন আয়ের চাঁদাদাতার ক্ষেত্রে পেনশন তহবিলে মাসিক চাঁদার একটি অংশ সরকার অনুদান হিসেবে দিতে পারবে।

একজন পেনশনার আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন। তবে পেনশনে থাকাকালীন ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মারা গেলে তার নমিনি অবশিষ্ট সময়ের জন্য (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন। চাঁদাদাতা কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা দেওয়ার আগে মারা গেলে জমা করা অর্থ মুনাফাসহ তার নমিনিকে ফেরত দেওয়া হবে। 

এককালীন তোলার প্রয়োজন পড়লে পেনশন তহবিলে জমা দেওয়া অর্থ কোনো পর্যায়ে চাঁদাদাতা আবেদন করলে জমা দেওয়া অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ঋণ হিসেবে তুলতে পারবেন, যা ফিসহ পরিশোধ করতে হবে। 

সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতিতে সরকারি অথবা আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। এক্ষেত্রে কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের চাঁদার অংশ কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে। সরকারি সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সরকারি ও আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা পেনশন ব্যবস্থার আওতা বহির্ভূত থাকবে। সরকার আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রজ্ঞাপন জারি করে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন করবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image