• ঢাকা
  • বুধবার, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ২১ ফেরুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

হামলা বন্ধ না হলে জিম্মিদের মুক্তি দেবে না হামাস 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১:০৭ এএম
হামলা বন্ধ না হলে জিম্মিদের মুক্তি দেবে না হামাস 
ইসরায়েলি বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইসরায়েলি জিম্মি ফিরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা নাকচ করেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এক ঘোষণায় সংগঠনটি জানিয়েছে, যুদ্ধ বন্ধে নেতানিয়াহুর অস্বীকৃতি মানেই ১৩০ ইসরায়েলি জিম্মির স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাওয়ার সুযোগ নেই। গার্ডিয়ান ও আলজাজিরার খবর। 

হামাস কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি রয়টার্সকে বলেন, জিম্মিদের ফিরে পেতে হলে গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। আরেক বক্তব্যে হামাস স্বীকার করেছে, গত ৭ অক্টোবরের হামলা কিছু ক্ষেত্রে ভুল ছিল। ইসরায়েলি সেনা ও অস্ত্রধারী ব্যক্তিদের বাইরে কোনো লক্ষ্যবস্তু তাদের ছিল না বলে দাবি সশস্ত্র সংগঠনটির।

তবে নেতানিয়াহু হামাসের হামলা বন্ধের শর্ত সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। সম্পূর্ণ বিজয় না হওয়া পর্যন্ত তিনি হামলা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি আগের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি জর্ডান নদীর পশ্চিমে সব অঞ্চলে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কোনো আপস করব না।’

যুক্তরাষ্ট্র, কাতার এবং মিসরের মধ্যস্থতায় গত নভেম্বরের শেষের দিকে একটি চুক্তির অধীনে শতাধিক ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। এর পর যুদ্ধ কয়েকদিন থামলেও যুদ্ধবিরতি হয়নি। স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

এমনকি জেরুজালেমে ইসরায়েলের পার্লামেন্টে ঢুকে পড়েন জিম্মিদের স্বজনরা। তারা চিৎকার করে নিজেদের দাবি জানাতে থাকেন। তাদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড ও জিম্মি স্বজনের ছবি। এ সময় একটি পার্লামেন্টারি কমিটির বৈঠক চলছিল। 

ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির ব্যাপারে ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছেন নেতানিয়াহু। সোমবার সন্ধ্যায় জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা জেরুজালেমে নেতায়িনাহুর বাড়ির বাইরে বিক্ষোভ করেন। ফিরিয়ে না আনলে তারা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।
 
ইসরায়েলি হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় অন্তত ১৯০ জন নিহত ও ৩৪০ জন আহত হয়েছেন। গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২৫ হাজার ২৯৫ জন নিহত এবং ৬৩ হাজার ৩০০ জন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস বেসামরিক হত্যার মাত্রাকে ‘হৃদয়বিদারক এবং সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image