২. নিয়োগ ও পদায়নে ঘুষ: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক নিয়োগে ৬০ কোটি টাকা, ৩৬টি জেলায় ডিসি (ডিসি) পদায়নে জেলাপ্রতি ২ থেকে ১০ কোটি টাকা, এবং ওয়াসা ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) শীর্ষ পদে নিয়োগ বাণিজ্যসহ মোট ১৮৭ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
৩. টেন্ডার ও কমিশন বাণিজ্য: বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ১০% থেকে ৩০% পর্যন্ত কমিশন নেওয়া এবং শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প থেকে ১,২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
৪. স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার: আসিফের পিতা, সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেন এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ যুক্ত করা হয়েছে।
বর্তমান আইনি পদক্ষেপ
১. দুদকের অনুসন্ধান: উপ-পরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল এই অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
২. নথিপত্র তলব: আসিফ মাহমুদ ও তাঁর স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব, লকার, সঞ্চয়পত্র, এফডিআর এবং দেশী-বিদেশী সব ধরণের লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-কে চিঠি দিয়েছে দুদক।
১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ
আসিফ মাহমুদের বক্তব্য
আসিফ মাহমুদ তাঁর বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগগুলোকে “মিডিয়া ট্রায়াল” এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি হিসেবে উল্লেখ করে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন. তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, তদন্তে বিদেশে তাঁর কোনো সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন এবং ব্যঙ্গাত্মকভাবে সেই সম্পদের ১০% তাকে দেওয়ার দাবি জানান. অপরদিকে, দুদক সচিব জানিয়েছেন যে তারা কোনো রাজনৈতিক চাপে না, বরং নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এই অনুসন্ধান করছেন।




