ডেস্ক নিউস: সম্প্রতি সরকারের ঘোষিত সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবীতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিম্নেবর্ণিত মাননীয় উপদেষ্টাগণের স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্ত কর্মচারী ঐক্য ফোরামে নেতৃবৃন্দ। বেলা ১১.০০ ঘটিকায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারিগণ সমবেত হয়ে স্মারকলিপি প্রদানপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে বক্তব্য প্রদান করেন।
স্মারকলিপি প্রদান:
ক) ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, মাননীয় উপদেষ্টা, অর্থ মন্ত্রণালয়
খ) ড. আসিফ নজরুল, মাননীয় উপদেষ্টা, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মাননীয় উপদেষ্টাদ্বয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্য মনোযোগ সহকারের শুনেন। তারা বলেন যে, কর্মচারি নেতৃবৃন্দের সংগে আলোচনা করে অধ্যাদেশটির কতিপয় ধারা সংশোধন করা হবে। এ লক্ষ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।
অত্র সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান জনাব মো: বাদিউল কবীর বলেন যে, তথাকথিত অধ্যাদেশ বাতিল না হলে ঈদোত্তর পরবর্তী সময়ে সম্মিলিতভাবে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি আরও বলেন যে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহার কারণে ৪-১৫ জুন পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত থাকবে।
অত্র সংগঠনের অপর কো-চেয়ারম্যান জনাব মো: নূরুল ইসলাম বলেন যে, অধ্যাদেশ আংশিক বা অধিকতর সংশোধন কোনক্রমেই মেনে নেয়া হবে না। এ ধরণের কালো-কানুনের অধ্যাদেশ প্রত্যাহার বা বাতিলের বিষয়টি কালক্ষেপন হওয়ায় নেতৃবৃন্দের ওপর সারাদেশের কর্মচারিদের ব্যাপক চাপ রয়েছে। এ অবস্থায়, আগামী ১৬ জুন কর্মচারিদের সকল নেতৃবৃন্দের সংগে আলোচনাক্রমে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সচিবালয়ের কর্মচারিরা ক্ষোভের সংগে জানান যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এ মুহুর্তে মার্শাল ল এর অর্ডিন্যান্স জারি করা কোনক্রমেই ঠিক হয়নি। এতে নারী সহকর্মীরা খুবই শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ৭ দিনের নোটিশে সারা জীবনের চাকুরি মুহুর্তেই ধূলিসাৎ হয়ে যাবে-এটি খুবই হাস্যকর!



