ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসর্বশেষনীলফামারী সরকারি কলেজের জায়গা হস্তান্তর না করার দাবি

নীলফামারী সরকারি কলেজের জায়গা হস্তান্তর না করার দাবি

নীলফামারী প্রতিনিধি : ভবন নির্মাণের জন্য নীলফামারী সরকারি কলেজের জায়গা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর না করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে (১৬ জুন) এনিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ সভা করে শিক্ষার্থীরা। পরে কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ভুইয়া বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এতে জানানো হয়, সরকারি কলেজের ৩৩শতাংশ জায়গা রয়েছে। এই জায়গায় ছাত্রাবাস নির্মাণ করার কথা রয়েছে কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি এই জায়গা ভবন নির্মাণের জন্য দেয়া হচ্ছে নীলফামারী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
যদি শিক্ষার্থীদের দাবি উপেক্ষা করে কলেজের নিজস্ব জায়গা কারো কাছে হস্তান্তর করা হয় তাহলে কঠোর কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নীলফামারী জেলা শাখার আহবায়ক সৈয়দ মেহেদী হাসান আশিক, ওয়ারিয়র্স অব জুলাই নীলফামারী জেলা শাখার সদস্য সচিব মোস্তফা মুহাম্মদ শ্রেষ্ঠ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নীলফামারী সরকারি কলেজ শাখার সদস্য সচিব পায়েলুজ্জামান রক্সি, ইসলামী ছাত্র শিবির নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখার সভাপতি হাসান আলী এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নীলফামারী সরকারী কলেজ শাখার যুগ্ম আহবায়ক র্ফিরোজ আহমেদ সৈকত ও রাইসুল ইসলাম রানা বক্তব্য দেন সভায়।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নীলফামারী সরকারি কলেজ শাখার সদস্য সচিব পায়েলুজ্জামান রক্সি জানান, কলেজের এই জায়গা হস্তান্তর করা হলে শুধু ছাত্রবাসই নয় অবকাঠামোগত নানান সংকটে পড়তে হবে কলেজকে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে শিক্ষার্থীরাই।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলী হাজেরুল ইসলাম জানান, আমাদের নিজস্ব ভবন স্থাপনের পরিকল্পনা করছি। মন্ত্রনালয় থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জায়গায় ভবন করার জন্য নির্দেশনাও রয়েছে, সে কারণে প্রাথমিক ভাবে কলেজের ওই জায়গাটি পছন্দের তালিকায় রাখা হয়েছে। তবে এটি সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রনালয়।

জানতে চাইলে নীলফামারী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান ভুইয়া বলেন, আমাদের কলেজের জায়গার অপ্রতুলতা রয়েছে। এখানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভবন না করার জন্য কলেজ পরিষদের তরফ থেকে বিষয়টি জেলা প্রশাসক ছাড়াও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular