ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকমধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত কয়েক হাজার নৌসেনা (মেরিন) ও নাবিক মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

    কর্মকর্তারা জানান, ইরানে সরাসরি স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে ভবিষ্যৎ সামরিক অভিযানের সক্ষমতা বাড়াতে এই অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের উভচর হামলাকারী জাহাজ ইউএসএস বক্সার-এর মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট যুদ্ধজাহাজগুলো ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। এর ফলে অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার হবে।

    তবে এ বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কোথাও সেনা পাঠাচ্ছি না। তবে যদি পাঠাতামও, তা সাংবাদিকদের জানাতাম না।”

    সূত্রগুলো জানায়, নতুন করে পাঠানো সেনাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব এখনো নির্ধারিত হয়নি। একজন কর্মকর্তা জানান, এই বাহিনী নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছে।

    বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। নতুন বাহিনী যুক্ত হলে সেখানে মেরিন এক্সপিডিশনারি ইউনিটের সংখ্যা বেড়ে দুইটিতে দাঁড়াবে। সাধারণত প্রতিটি ইউনিটে প্রায় আড়াই হাজার সদস্য থাকে, যারা সমুদ্র থেকে বিমান হামলা বা স্থল অভিযানে দক্ষ।

    এর আগে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পেন্টাগন ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন সামরিক বিকল্প প্রস্তুত করছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালি-তে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ইরানের উপকূলে বাহিনী মোতায়েন এবং খারগ দ্বীপ-এ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।

    তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে সরাসরি স্থল অভিযান শুরু করা হলে তা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের বড় অংশ এ ধরনের যুদ্ধে সমর্থন দিচ্ছে না।

    রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ট্রাম্প ইরানে বড় পরিসরের স্থল যুদ্ধের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে এর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন মাত্র ৭ শতাংশ।

    সূত্র: রয়টার্স।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular