ক্রীড়া ডেস্ক: ২০০৫ সালের অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ। আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির প্রথম শুরুর একাদশে খেলা ম্যাচ এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে তার প্রথম গোলের সাক্ষী।
প্রথম ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেও মেসি দলের ভাগ্য বদলাতে পারেননি।
পরবর্তীতে কোচ ফেরারে জানান, শেষ অনুশীলনে মেসির পেশিতে সামান্য টান ধরা পড়েছিল। দলের চিকিৎসকের পরামর্শেই তাকে বিশ্রামে রেখে দ্বিতীয়ার্ধে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
সব বিতর্কের অবসান ঘটে মিসরের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে। শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে জুলিও বারোসোর ক্রস থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন মেসি। সেটিই ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে তার প্রথম গোল। পরে পাবলো জাবালেতার আরেক গোলে ২-০ গোলে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা এবং নকআউট পর্বে ওঠার পথ সহজ করে।
এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি মেসিকে। পুরো টুর্নামেন্টে ছয় গোল করে জেতেন গোল্ডেন বুট, হন সেরা খেলোয়াড়ও। সেমিফাইনালে ব্রাজিল এবং ফাইনালে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা এনে দেন তিনি। আকাশি-সাদা জার্সিতে সেটিই ছিল মেসির প্রথম বড় আন্তর্জাতিক সাফল্য, যার সূচনা হয়েছিল মিসরের বিপক্ষে সেই স্মরণীয় ম্যাচ দিয়ে।




