ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধদোষী ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে

দোষী ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে

নিউজ ডেস্ক: সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ ৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসা শেষে নির্যাতিত গৃহকর্মী ১৩ বছর বয়সী সম্পূর্ণ সুস্থ কল্পনাকে দেখতে যান। কল্পনাকে তিন মাস দশ দিন কঠোর চিকিৎসা ও সফল প্লাস্টিক সার্জারি করার পর সুস্থ জীবন এবং তার মুখমণ্ডলের অবয়ব ফিরে পেয়েছেন। উপদেষ্টা কল্পনার বর্তমান শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। তিনি কল্পনাকে বলেন, তুমি এখন সুস্থ হয়েছো এবং বাড়িতে যেয়ে লেখাপড়া করবে উত্তরে কল্পনা বলেন, আমি বাড়িতে ফিরে লেখাপড়া করবো, লেখাপড়া শিখে ডাক্তার না হতে পারলে অন্য কিছু হবো, তবে কখনো অন্য 

 বাড়িতে আর কাজ করবো না। উপদেষ্টা কল্পনার লেখাপড়ার খরচের জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেন এবং বলেন তোমার লেখাপড়া খরচের জন্য আমি দায়িত্ব নিবো তবে, দোষী ব্যক্তির সাথে কখনো আপোষ করবে না। এই দোষী ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা পেপার পত্রিকায় সব সময় নির্যাতিত ভিকটিভের ছবি প্রকাশ করতে দেখি কিন্তু নির্যাতনকারী দোষী ব্যক্তির ছবি প্রকাশ ও প্রচার করতে দেখি না, যারা দোষী তাদের ছবি  মিডিয়ায় প্রচার করতে হবে, তাহলে সমাজের মানুষ অন্যায়কে জানতে পারবে এবং সচেতন  ও সজাগ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, ঢাকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাড়ির বাসিন্দাদের গৃহকর্মী থাকা অবস্থায় কল্পনা বছরের পর বছর ধরে প্রচন্ড নির্যাতন সহ্য করেছে। গতবছর অক্টোবরের শেষ দিকে যখন তাকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয় তখন তার সারা শরীরে একাধিক পোড়ার আঘাত ছিলো এবং তার সামনের চারটি দাঁত ভেঙে দেয় নির্যাতনকারীরা। তিন মাস দশ দিন কঠোর চিকিৎসা এবং একাধিক অস্ত্রপচার ও  প্লাস্টিক সার্জারির পর তার মুখের অবয়ব এবং সুস্থ জীবন ফিরে পাওয়ার পর পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য এখন প্রস্তুত কল্পনা। 

এ সময় উপদেষ্টার সাথে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ এনডিসি, ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার মোঃ আসাদুজ্জামান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular