ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeব্যবসা/বাণিজ্যশেয়ারবাজারের ২২ ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন বন্ধ

শেয়ারবাজারের ২২ ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন বন্ধ

অর্থনীতি ডেস্ক: অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদারকির ঘাটতিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ২২টি ট্রেকহোল্ডার প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বন্ধ রয়েছে। সমন্বিত গ্রাহক হিসাব (সিসিএ), নেটওয়ার্ক এবং গ্রাহকের অর্থ-শেয়ার সংরক্ষণে অনিয়মের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের হাজারও বিনিয়োগকারীর অর্থ ও শেয়ার অনিশ্চয়তায় রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ক্রেস্ট সিকিউরিটিজে ১২৬ কোটি, বাংকো সিকিউরিটিজে ১২৮ কোটি, তামহা সিকিউরিটিজে ১৪০ কোটি এবং মশিউর সিকিউরিটিজে ১৬১ কোটি টাকার ঘাটতি শনাক্ত হয়েছে। এ ছাড়া বেক্সিমকো সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, সালতা ক্যাপিটাল, ডন সিকিউরিটিজসহ আরও ১৮টি প্রতিষ্ঠানের লেনদেন বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএসইর চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিওও) আসাদুর রহমান জানান, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত মালিকানা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। দু-একটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে দুদক তদন্ত করছে।

মশিউর সিকিউরিটিজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্পদ বিক্রি করে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে গ্রাহকদের পাওনা পরিশোধের চেষ্টা চলছে।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফরেনসিক অডিট, দায়ীদের সম্পদ জব্দ ও বিক্রি করে বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে ব্রোকারেজ হাউসের অনিয়ম ঠেকাতে কঠোর হচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগাম ঘোষণা ছাড়াই ব্রোকারেজ হাউস পরিদর্শনে বিশেষ অডিটর প্যানেল গঠনের জন্য ডিএসইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়লে কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি লাইসেন্স বাতিলের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিক্রি, মালিকদের কাছ থেকে অর্থ উদ্ধার এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিএসইসি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular