নজরুল ইসলাম খায়রুল, নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও ভৈরব উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ খাদ্য ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিককে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। শনিবার (১২ জুলাই) দিনব্যাপী জেলার পাকুন্দিয়া ও ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপদ খাদ্য আইনে সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়ার (সামারি ট্রায়াল) মাধ্যমে এই বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন-কিশোরগঞ্জ জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম তালুকদার, কিশোরগঞ্জ জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শংকর চন্দ্র পালসহ পুলিশ, র্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি করে চৌকস দল।
বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১২ জুলাই) দিনব্যাপী জেলার পাকুন্দিয়া ও ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের দায়ে
পাকুন্দিয়া উপজেলার রামকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডারকে এক লাখ টাকা ও অবকাশ হোটেল এন্ড সুইটমিটকে এক লাখ টাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রঙ ব্যবহার ও মোড়কে মেয়াদ উল্লেখ না করার দায়ে ভৈরব উপজেলার মায়ের দোয়া বেকারীকে এক লাখ টাকা, নিরাপদ খাদ্য আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্গনের দায়ে হাজী হোটেলকে এক লাখ টাকা ও সর্দার মিষ্টান্ন ভান্ডারকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন কিশোরগঞ্জ বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।
এছাড়াও বিভিন্ন বেকারিতে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য জব্দ ও ধ্বংস করা হয়।
জনস্বার্থে এই ধরনের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।



