ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধনাফনদীতে চোরাকারবারিদের সাথে গোলাগুলিতে নিহত-১,আটক-১৬

নাফনদীতে চোরাকারবারিদের সাথে গোলাগুলিতে নিহত-১,আটক-১৬

টেকনাফ প্রতিনিধি : কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে চোরাকারবারিদের সাথে গোলাগুলিতে নিহত মোসলেহ উদ্দিন (৫০) ভোলা জেলার চরফ্যাশন এলাকার বাসিন্দা।

নিহত ব্যাক্তি চোরাকারবারি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোস্ট। এ ঘটনায় মাদক ও অস্ত্রসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের পাঁচজন রোহিঙ্গা।

শুক্রবার মধ্যরাতে নাফনদীর মোহনায় নাইক্ষ্যং দিয়া এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মোঃ সিয়াম উল হক এসব তথ্য জানায়।

মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মোঃ সিয়াম উল হক জানান, গোপন সংবাদে মিয়ানমার থেকে ট্রলারে চোরাকারবারিদের একটি মাদকের চালান পাচারের খবরে বাংলাদেশ জলসীমায় প্রবেশকালে কোস্ট গার্ডের টহল ওই বোটটিকে থামার সংকেত দিলে, সংকেত অমান্য করে দ্রুত গতিতে কক্সবাজারের দিকে পালাতে শুরু করে। এসময় কোস্ট গার্ড ফাঁকা গোলার মাধ্যমে বোটটিকে থামার সংকেত প্রদান করলে, ট্রলার থেকে চোরাকারবারিরা কোস্ট গার্ডকে লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি বর্ষন শুরু করে। এসময় কোস্ট গার্ডের আভিযানিক দল আত্মরক্ষার্থে এবং বোটটিকে ওয়াটার লাইন এবং ইঞ্জিন রুম বরাবর গুলি চালায়।

তিনি বলেন, পরে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ট্রলার থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক জনকে উদ্ধার করে। তাকে টেকনাফ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরপর ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ জন ডাকাত ও মাদক পাচারকারী আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে করে ১০ হাজার ইয়াবা , তিনটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩ রাউন্ড তাজা গোলা পাওয়া যায়। মাদক রোধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।’

কোস্টগার্ড কর্মকর্তা আরো জানান, আটককৃত ডাকাত ও মাদক পাচারকারীদের থেকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা মিয়ানমার থেকে মাদকদ্রব্য পাচারের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসার সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য নাফ নদীতে ফেলে দেয়। ফেলে দেয়া মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। জব্দকৃত ইয়াবা, আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা গোলা ও আটককৃত আসামীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।’

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা প্রণয় রুদ্র বলেন, ‘সকালে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যাক্তিকে নিয়ে আসে। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগে তাঁর মৃত্যু হয়।’

মৃত ব্যাক্তির লাশ ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজারের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular