ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeব্যবসা/বাণিজ্যবিএসটিআইর পরিধি সারা দেশে হবে: শিল্পমন্ত্রী

বিএসটিআইর পরিধি সারা দেশে হবে: শিল্পমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) পরিধি সারা দেশে প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘বিএসটিআই-এর জনবল বৃদ্ধি করে এর ব্যাপ্তি আগামীদিনে সারা দেশেব্যাপী করা হবে। এ লক্ষ্যে কাজ চলছে।’

বুধবার (১৪ অক্টোবার) সকালে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে মান দিবস উপলক্ষে বিএসটিআই আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ব্যক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুল আওয়াল।

অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক।

সভাপতিত্ব করে বিএসটিআইর মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘জনসাধারণ পকেটের টাকা ব্যয় করে যে পণ্য ব্যবহার করবে তার পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রযন্ত্রের দায়িত্ব। পণ্যের মান সেট করার জন্য সরকারের প্রধান সংস্থা হিসবে কাজ করছে বিএসটিআই। বিএসটিআই পরিধি বাড়ার লক্ষ্যে তিনটি প্রকল্প চলমান।

মন্ত্রী বলেন,  ‘বিএসটিআই কমপ্লেক্সে ১৩তলা ভবন নির্মাণ কাজ চলছে। এতে ব্যয় হবে ৮৫০ কোটি টাকা। ৬৩টি নতুন ল্যাব স্থাপন করা হবে। আমরা ১০টি জেলায় পরীক্ষাগার নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মেট্রোলজি ল্যাব নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সয়াবিন তেলে মাত্রাতিরিক্ত লেডসহ (সিসা) বিভিন্ন বিষাক্ত ভারী ধাতু রয়েছে। এমন খবর প্রকাশ হয়। পরে আমরা সোয়াবিন ১৯৩টি স্যাম্পল পরীক্ষা করে কোনো ভেজাল পাইনি। তাতে প্রমাণ হয় দেশের বাজারে কোনো কোম্পানির সয়াবিন তেলে ভেজাল নেই। অনেক ভেজালের মধ্যে একটা ভালো খবর দিতে পারলাম।’

তিনি বলেন, ‘বিএসটিআইকে আমরা এমন একটি জায়গায় নিয়ে যেতে চাই, যাতে এসডিজি গ্রাজুয়েশনের পর বৈশ্বিক মান প্রনয়ণের প্রতিযোগিতায় টেকে থাকতে পারে।’

সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, ‘পরীক্ষার আন্তর্জাতিক গ্রহযোতা অর্জন করতে হবে। আমাদের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। শুধু মান যাচাই বিএসটিআইয়ের কাজ নয়। দেশের শিল্পের স্বক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। যাতে করে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের পণ্য হবে নির্ভরতার প্রতীক।’

কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ‘বিশ্বে বর্তমানে হালাল পণ্যের বাজার ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের। আগামী ১০ বছরে ১০ ট্রিলিয়ন হবে। হালাল পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার ধরতে আমরা প্রস্তুত হচ্ছি৷ আমরা পণ্যের মানের সঙ্গে আপস হীন। আমদানি পণ্যের মান যাচাইয়ের সনদপত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে দিচ্ছি, যা আগে কয়েদিন সময় লাগত।’

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular