এক যৌথ আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয় জানায়, প্রকাশিত সংবাদে বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেনকে জড়িয়ে মানহীন ঔষধ তৈরি, ঘুষ, দুর্নীতি, অনৈতিক আর্থিক লেনদেন এবং অবৈধ যোগসাজশের যে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য ছাড়াই এই ধরনের সংবেদনশীল সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
প্রতিবাদলিপিতে স্পষ্ট করা হয় যে, বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড কোনো ধরনের মানহীন ঔষধ তৈরি বা বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত নয় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কোনো ধরনের অনৈতিক আর্থিক লেনদেন বা অবৈধ যোগসাজশ করেনি। একইভাবে, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জড়িয়ে আনীত অভিযোগের সঙ্গেও প্রতিষ্ঠানের কোনো অনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সংবাদে ঔষধের নমুনা পরীক্ষা, পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন, নিবন্ধন স্থগিতকরণ এবং উৎপাদন ও বাজারজাতকরণসংক্রান্ত যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ দাপ্তরিক নথি ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়ার আলোকে মূল্যায়নযোগ্য। কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণকে ঘুষ বা দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত করা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থী। প্রতিষ্ঠানটি সবসময় ঔষধের গুণগত মান বজায় রাখা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রচলিত আইন অনুসরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে সম্পাদক ও প্রতিবেদকের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে আনীত অভিযোগসমূহ পুনরায় যাচাই করে এই প্রতিবাদলিপিটি মূল সংবাদের সমপরিমাণ গুরুত্ব ও মর্যাদায় প্রকাশ করা হয়।
আইনি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গত ৩ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে পল্টন মডেল থানায় (জিডি নং-২৩১) এবং পটুয়াখালী সদর থানায় (জিডি নং-১৪৬) দুটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বায়োজেন ফার্মাসিউটিক্যালস জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও স্বচ্ছতা রক্ষায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী যেকোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার তারা সংরক্ষণ করে।



