ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআইন ও আদালতরামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আশা আইনমন্ত্রীর

রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তির আশা আইনমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক : ঈদের ছুটি শেষে আগামীকাল সোমবার (১ জুন) থেকে খুলছে অধস্তন আদালত। এদিন রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ মামলা শুনানি শুরু হবে। সরকার এই মামলায় আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি আশা করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের হাতে যতটুকু সময় ও ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করেছে। বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট হবে। আলহামদুলিল্লাহ এক সপ্তাহের মধ্যেই চার্জশিট দিতে পেরেছি। বাকিটা আদালতের কাজ, আদালতকে আমরা সহযোগিতা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল আদালত খুলবে, প্রথম দিনেই এই মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে শুনানির জন্য রাখা হয়েছে। এটা আদালতের এখতিয়ার। আমরা শুধু আদালতের কাছে প্রার্থনা করতে পারি।’

রামিসা হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ সাজা চাইবেন জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বাকিটা আদালত যেটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে মনে করবেন সেটাই করবেন। তবে যে যেরকম সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রয়েছে, সেই বিবেচনায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন বলে মনে করি।’

সংবিধান সংশোধনের কমিটিতে বিরোধী দল কোনো নাম দিয়েছে কি না বা কোন মতামত পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এখনো পাইনি। সংসদ অধিবেশনের শেষ সেশনের আগে আমরা বিরোধী দলকে বলেছিলাম- ১৭ সদস্য বিশিষ্ট একটা সংবিধান সংশোধন কমিটি করতে চাই। সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে সাতজন রেখেছি। পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রতিনিধি যারা রয়েছেন, তাদের মধ্য থেকে রেখেছি। আর পাঁচজন বিরোধী দলের কাছ থেকে চেয়েছি। তারা বলেছে সামনের সেশনে জানাবে। আমরা অপেক্ষায় আছি তাদেরটা পেলেই সংবিধান সংশোধনের জন্য জুলাই সনদের পথ ধরে হাঁটবো।’

বাতিল হওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশ সামনে উপস্থাপিত হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বাতিল না, এটা হলো আমরা উপস্থাপন করিনি। আগে আমরা বলেছি আরো যাচাই বাছাই করছি। এরইমধ্যে দুটি আইন নিয়ে আমরা ফাস্ট কনসাল্টেশন করেছি। একটি হল মানবাধিকার কমিশন আইন এবং আরেকটি গুম কমিশন আইন। আমাদের অনেক সুপারিশ এসেছে, সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভব হলে আমরা সেগুলোকে সামনের কাতারে নিয়ে আসবো।’

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular