• ঢাকা
  • রবিবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৯ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

বিসিএস ক্যাডার দুই ভাই ফুটপাতে মিষ্টি বিক্রি করছেন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ০২ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:০৯ পিএম
বিসিএস ক্যাডার দুই ভাই
ফুটপাতে মিষ্টি বিক্রি করছেন বিসিএস ক্যাডার দুই ভাই

ডেস্ক রিপোর্টার: রাজশাহীর বাঘায় ঈদের ছুটিতে এসে বাবার ফুটপাতের মিষ্টির দোকানে দোকানদারি করছেন বিসিএস ক্যাডার দুই ভাই।

গত বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আড়ানী পৌর বাজারের চাল হাটায় বাবার ফুটপাতের মিষ্টির দোকানে বসে দুই ভাইকে মিষ্টি বিক্রি করতে দেখা যায়।

এলাকাবাসী জানায়, তারা দুই ভাই আড়ানী উচ্চ বিদ্যালয় ও ডিগ্রি কলেজে থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর অমিত কুমার পাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। পরে তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় পাস করে সান্তাহার সরকারি কলেজে যোগদান করেন। এই কলেজ থেকে তিনি ১৬৪তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার চার মাস মেয়াদে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে দেশসেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
 
এদিকে মৃণাল কুমার পাল মিঠন এমবিবিএস শেষে করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। তারা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌর বাজারের হিতেন কুমার পালের নাতি ও বাবু উত্তম কুমার পাল ও বাসনা রানী পালের ছেলে। তাদের বাবা উত্তম কুমার পাল আড়ানী বাজারের ফুটপাতের ক্ষুদ্র মিষ্টি বিক্রেতা। মা একজন গৃহিণী।
 
নিজ সংসদীয় এলাকার এই আলোচিত বিষয়টি জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, রাজশাহী ৬ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি বলেন, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এনেছি। তিনি আমাকে বলেছেন দুই ভাইকে পুরস্কার দেওয়া উচিত। কাজের মূল্যায়ন করছে। আমার জন্য ওই দোকান থেকে মিষ্টিও আনবে।
 
রোববার (১ মে) সকালে ডা. মৃণাল কুমার পাল মিঠন জানান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সহকারী এরই মধ্যে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তিনি প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দেন।
 
ফুটপাতে থাকা বাবার পুরনো মিষ্টির দোকানে বসে মিষ্টি বিক্রি করছেন, দুই ভাই। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তারা বাবার আদি পেশাকে ভুলে যাননি। বরং আগের মতোই সম্মানের সঙ্গে সমান গুরুত্ব দিয়ে সেই দোকানে বসে দোকানদারি করছেন। এতে সবার প্রশংসায় ভাসছেন ওই দুই ভাই।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image