• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২৫ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

গলায় ফাঁস দিয়ে জবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০২:৪৬ পিএম
গলায় ফাঁস দিয়ে জবি শিক্ষার্থী
আত্মহত্যা

জবি প্রতিনিধি : গলায় ফাঁস দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মেহেদী হাসান রাব্বি নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। 

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তার গ্ৰামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কলেজ পাড়ায়।

সোমবার ( ১৮ সেপ্টেম্বর) এলাকায় নিজ বাড়িতে দুপুরে তাঁর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত কাল রাতে  মেহেদী দরজা বন্ধ করে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান , সোমবার সকালে রাব্বি কে পরিবারের সদস্যরা ঘুমানো অবস্থায় দেখেন । কিন্তু দুপুরে তাঁর দরজা বন্ধ দেখে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। অনেক চেষ্টা করে দরজা খুলতে না পেরে শেষে দরজা ভেঙ্গে দেখেন রাব্বি'র দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এই বিষয়ে জবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাবু বলেন, নিহত মেহেদী হাসান রাব্বি জবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সহ-সভাপতি পদে ভূষিত ছিলেন। আমরা জানতে পারি গত রাতে সে নিজ রুমে ঘুমাতে যান , আজ দুপুর পর্যন্ত তাঁর রুম বন্ধ থাকলে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয় । তখন তারা দরজা ভেঙ্গে দেখে মেহেদী'র মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। আমরা ঘটনায় খুব শোকাহত। আজ বাদ এশা মেহেদী'র জানাজা অনুষ্ঠিত হবে ‌।

নিহত মেহেদী'র বিষয়ে তার বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন,  ছেলেটি আমার নিজ জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হওয়ার কারণে কাছ থেকে চিনি। সে খুব অমায়িক ছেলে ছিল। আমি যতটুকু জানি তাঁর প্রেম ঘটিত এবং অর্থনৈতিক কোনো সমস্যা ছিল না। ১ বছর আগে তাঁর বাবা মারা যান। এজন্য তার মন খারাপ ছিল । আমি সবসময় চেষ্টা করেছি খোঁজ খবর রাখার কিন্তু মাঝে সে আর কিছু জানায়নি কী জন্য কী হয়েছে। বর্তমানে ছেলে মেয়েরা কষ্ট গুলো শেয়ার করতে না পারায় হতাশায় থাকে। আমরা ছেলে মেয়েদের জন্য পৃথক পৃথক কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করেছি। ছেলে মেয়েদের সুবিধার জন্য জেলা ছাত্র কল্যাণে আমি নিয়মিত সময় দিয়ে থাকি। খবর পাওয়া মাত্রই আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছি।

এই বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, এই ঘটনায় আমি এখনো অবগত নয়। অবগত হওয়ার পর বিস্তারিত বলতে পারবো।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image