• ঢাকা
  • রবিবার, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ১৪ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০:৩১ পিএম
সাতক্ষীরায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়
ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। যেকোন মূহুর্তে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সভাপতি মাহাবুবুর রহমানসহ তার সমর্থকদের সাথে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ জড়াতে পারে অপর গ্রুপ৷ রবিবার (২৪ মার্চ) মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে দেখা মেলে পুলিশ সদস্যদের। এদিন পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ করেন দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার।

এর আগে গত ১৫ মার্চ  সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সঞ্জীব কুমার দাস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচনের তপশীল ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, ১৯ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র ক্রয় এবং জমা, ২৪ মার্চ যাচাই-বাছাই, ২৭ মার্চ প্রত্যাহার এবং আগামী  ৮ এপ্রিল সকাল ১০ টা থেকে বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ করা হবে।

রবিবার দাখিলকৃত মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে  পুরুষ ১২ জন ও মহিলা ৪ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়ে।

তবে, দাতা সদস্য পদে নীতিমালা অনুযায়ী বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৮০ দিন পূর্বে টাকা জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও দাতা সদস্য হাসান হাদী গত বছরের ২৬ নভেম্বর টাকা জমা দেওয়ায় এবং বর্তমান কমিটির মেয়াদকাল আগামী ২০ মে শেষ হওয়ার ফলে ১৭৭ দিন হয়েছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনজুর এ মতিন। তার সদস্য পদ নিয়ে বিতর্ক হলে প্রিজাইডিং অফিসার সঞ্জীব কুমার দাস এব্যাপারে তার কোনকিছু করণীয় নেই বলে জানান। এসময় উপস্থিত অভিভাবকদের সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। একজন প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে উপস্থিত মানুষের মাঝে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

এব্যাপারে একাধিক অভিভাবক সদস্যরা জানান, এই নির্বাচনকে ঘিরে নানা বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও তোয়াক্কা করেননি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার। বরং ঊধ্বর্তন  কর্তৃপক্ষের অজুহাত দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি।

আর এঘটনার প্রতিকার চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, আজীবন দাতা সদস্য মাহাবুবুর রহমানের দাতা সদস্যের পদ নিয়ে বিতর্ক রযেছে। বিদ্যালয়টির একাধিক শিক্ষকসহ অভিভাবকরা নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, বিদ্যালয়টির সভাপতি এস, এম মাহাবুবুর রহমান ২ লাখ টাকা জমা দিয়ে আজীবন দাতা সদস্য হলেও সেই টাকার কোন রশিদ কিংবা রেজ্যুলেশন নেই। তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিষয়টি একপ্রকার আত্মগোপনে রেখেছেন৷ এজন্য বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ভূইয়া চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image