• ঢাকা
  • সোমবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৭ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

৭ জুন ইতিহাসের বাঁকবদলে মাহেন্দ্রক্ষণ ছিল: কাদের


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০৭ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৯:৪৭ পিএম
৭ জুন হরতাল আহ্বান করা হয়
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার পর

নিউজ ডেস্ক:  ঐতিহাসিক ৭ জুন ইতিহাসের বাঁকবদলে মাহেন্দ্রক্ষণ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ৭৫ এর খুনিরা বঙ্গবন্ধুর পাশাপাশি এসব দিবস এবং ইতিহাসকেও হত্যা করতে চেয়েছিল।

শুক্রবার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

৬ দফার গুরুত্ব তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, ৬ দফা হচ্ছে স্বাধীনতার পথে স্বাধিকার-সংগ্রামের ঐতিহাসিক মাইলফলক। এই ৬ দফা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর যে আহ্বান, তার সঙ্গে সারা দেশে ৭ জুন হরতাল আহ্বান করা হয়। সেই হরতালে তেজগাঁওয়ের শ্রমিকনেতা মনু মিয়াসহ সারা দেশের বেশ কয়েকজন হরতাল পালনকারী শ্রমিক নিহত হন। এ কথা স্পষ্টভাবে বলা যায়, ৬ দফার ভিত্তিতে ১১ দফা থেকে শুরু করে স্বাধীনতা আন্দোলন হয়েছে। এ কারণে ছয় দফার গুরুত্ব অনেক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে আমাদের ইতিহাসে বাঁক পরিবর্তনকালে, স্বাধীকার-সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়ে এই শোক দিবস ৭৫ এর পর নিষিদ্ধ করে দেয়। যারা নিষিদ্ধ করে দেয় তারা ৭৫ এর খুনের সঙ্গী। তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেনি, তারা হত্যা করতে চেয়েছিল স্বাধীনতার ইতিহাসকে।

এর আগে প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এরপর স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান।

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে ১৯৬৬ সালের এই দিনে বাঙালির ম্যাগনা কার্টা ছয় দফার ভিত্তিতে পাকিস্তানিদের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন শুরু করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৬৬ সালের ৭ জুন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকারের শোষণ, বঞ্চনা, পরাধীনতা ও স্বৈরাচারের অবসান ঘটাতে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে দিনব্যাপী হরতালের ডাক দেয়।

হরতাল চলাকালে ঢাকা, টঙ্গী ও নারায়ণগঞ্জে সেদিন বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ ও আধা সামরিক ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর) গুলি চালালে শ্রমিকনেতা মনু মিয়া, শফিক, শামসুল হকসহ ১০ জন নিহত হন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / এইচ

আরো পড়ুন

banner image
banner image