• ঢাকা
  • শনিবার, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ০২ মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

আমানতের সুদের হার বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১২:৫১ পিএম
দ্বিগুণ আমানতসহ নানা প্রকল্প রয়েছে
বাড়াছে আমানতের সুদের হার

নিউজ ডেস্ক:  তারল্য সংকট মোকাবিলার জন্য আমানতের সুদের হার বাড়াচ্ছে ব্যাংকগুলো। বাড়তি আমানত সংগ্রহ করাই তাদের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে নন ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও আমানতের সুদহার বাড়াতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে ইতিমধ্যে আমানত প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। তবে এখন মূল্যস্ফীতির হারের নিচেই রয়ে গেছে আমানতের সুদহার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুলাই থেকে সুদেরহার সীমিত আকারে বাজারভিত্তিক করেছে। ফলে ঋণের সুদের হারের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিয়ে এখন বাড়তি হারে নতুন সীমা আরোপ করেছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন ঋণের সুদহার বাড়াতে পারছে, তেমনি আমানতের সুদের হারও বাড়াতে পারছে। ঋণ ও আমানতের সুদের হারের মধ্যকার ব্যবধান সর্বোচ্চ ২ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। ফলে ঋণের সুদ হারের চেয়ে আমানতের সুদের হার ২ থেকে ৪ শতাংশ কম থাকবে। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে গড়ে ঋণ ও আমানতের সুদ হারের ব্যবধান রয়েছে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর মধ্যে আমানতের গড় সুদ ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং ঋণের সুদ ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত বছরের জুনে ব্যাংকে আমানতের গড় সুদহার ছিল ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। ঐ সময়ের ব্যবধানে সুদহার বেড়েছে দশমিক ৫৫ শতাংশ।

তবে ব্যাংকগুলো গড়ে আমানতের সুদহার আরো বেশি বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার বাড়িয়েছে ৫ থেকে ৮ শতাংশ। একই সঙ্গে আকর্ষণীয় মুনাফার সঞ্চয় প্রকল্পগুলোও চালু করতে শুরু করেছে। বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পৌনে ৯ শতাংশে নিয়ে গেছে। এসব ব্যাংক আকর্ষণীয় মুনাফার সঞ্চয় প্রকল্পগুলোও চালু করেছে। এর মধ্যে সাত বছরে দ্বিগুণ আমানতসহ নানা প্রকল্প রয়েছে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আমানতের সুদহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে সীমা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে তারা ছয় বছর মেয়াদি ট্রেজারি বিলের গড় সুদের হারের সঙ্গে আড়াই শতাংশ যোগ করে আমানতের সুদ নির্ধারণ করতে পারবে। ট্রেজারি বিলের গড় সুদহার এখন ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এর সঙ্গে আরো আড়াই শতাংশ যোগ করলে সুদহার দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। অর্থাত্ এ হিসাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতের বিপরীতে সুদ দিতে পারবে।

এদিকে সেপ্টেম্বরে ১২ মাসের গড় হিসাবে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ। ব্যাংকগুলোর আমানতের সুদহার এখনো এর নিচে রয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সুদহার মূল্যস্ফীতির কিছুটা বেশি হলেও মুনাফা থেকে কর ও সার্ভিস চার্জ কেটে নেওয়ার ফলে প্রকৃত সুদ আয় এখনো মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। এদিকে ব্যাংকগুলোতে এখন তারল্য সংকট কাটছে না। প্রায় প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে অনেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে মোটা অঙ্কের তারল্য সহায়তা নিতে হচ্ছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আরো পড়ুন

banner image
banner image