• ঢাকা
  • শনিবার, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৪ ফেরুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

আছে কমিউনিটি ক্লিনিক তবুও স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেনা ফুলবাড়ীর চরাঞ্চলের মানুষ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০১:২২ পিএম
আছে কমিউনিটি ক্লিনিক তবুও স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেনা
ফুলবাড়ীর চরাঞ্চলের মানুষ

জাকারিয়া মিঞা, ফুলবাড়ী প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ধরলা অববাহিকায় অবস্থিত পশ্চিম ধনিরাম, চর ধনিরাম, তালুক মেখলি গ্রাম। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এসব গ্রামের প্রান্তিক মানুষের হাতের কাছে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার ভরসাস্থল পশ্চিম ধনিরাম কমিউনিটি ক্লিনিক। মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ক্লিনিকটি নির্মিত হলেও আজও কাঙ্ক্ষিত সেবা বঞ্চিত এ অঞ্চলের মানুষ।

ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা মানুষজনের অভিযোগ, সুযোগ বুঝে সপ্তাহে দু'একদিন খোলা হয় ক্লিনিকের তালা। সেবা নিতে দিতে হয় টাকা। বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকায় টাকা দিয়েও মিলছেনা কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ থাকায় হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন সেবা প্রত্যাশী অনেকেই। ওই এলাকার বাসিন্দা রাহেলা বেগম বলেন, হামরা গরীব মানুষ। ছোটখাটো অসুখ হলে ক্লিনিকোত আসি ঔষধ নিবার। কিন্তু ক্লিনিক তো খুলে না। এটি কোনা ওষুধ নিবার গেলে হামাক গুলাক খুব ঘোরা নাকে বাহে। ক্লিনিকের সেবা নিতে আসা জোসনা বেগম, খাতিমন বেওয়া, আব্দুল মতিন, অনিতা বালার অভিযোগ আরও দীর্ঘ। তারা বলেন, ক্লিনিক খোলেনা। কালেভদ্রে যদি খোলে তাহলেও টাকা ছাড়া কোন ওষুধ দেয় না। কিছু বললে দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয়।

ওই এলাকায় বসবাসকারী নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা কমিউনিটি হেল্থ প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) সাদেকুর রহমানের সাথে ক্লিনিকের সভাপতি আজিম উদ্দিন মেম্বারের সখ্যতা রয়েছে। এরই সুযোগে তিনি কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে নিজের খেয়াল খুশিমত ক্লিনিক পরিচালনা করেন। মেম্বারকে তার বিষয়ে কিছু জানালেই তিনি সাদেকুরের পক্ষেই সাফাই গান। এরআগে ক্লিনিকের ঔষধ পাচারের সময় হাতেনাতে জনতার হাতে ধরা পড়ার পরেও মেম্বারের সহযোগিতায় পাড় পেয়ে যায় বলেও জানান তারা।

এবিষয়ে বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মিন্টু বলেন, এর আগেও আমি ক্লিনিকটি প্রায়ই বন্ধ রাখা ও টাকা দাবি করার ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছিলাম। আজকে আপনাদের মাধ্যমেও জানলাম। এটা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটা অপচেষ্টা। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সুমন কান্তি সাহার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ক্লিনিক বন্ধ রাখা এবং সেবা দিয়ে টাকা গ্রহণের বিষয়টি তিনি জানেন না। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। 
  

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image