ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedভারতে ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রীর স্বামী পরা

ভারতে ককরোচ পার্টির বিক্ষোভে যোগ দিচ্ছেন অর্থমন্ত্রীর স্বামী পরা

ভারতের বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন বা ‘স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই মোদি সরকারের নীতিকে বড় ধরণের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নতুন তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন খোদ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের স্বামী তথা দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ পরাকলা প্রভাকর।

তিনি ২৩ অক্টোবর ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এবং ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’ জোটের আয়োজিত দেশব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। অর্থমন্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থানের সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে তার স্বামীর এমন প্রকাশ্য রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত ভারতের রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শুক্রবার আয়োজিত এই রাজপথের গণবিক্ষোভে পরাকলা প্রভাকরের পাশাপাশি একই মঞ্চে শামিল হচ্ছেন ভারতের একাধিক শীর্ষস্থানীয় অধিকারকর্মী ও বিশিষ্ট নাগরিকেরা। এদের মধ্যে রয়েছেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, প্রখ্যাত অভিনেতা প্রকাশ রাজ, সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ, বিশিষ্ট কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত এবং মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তথা লেখক তুষার গান্ধী। সমাজের বিভিন্ন স্তরের এই প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একই ব্যানারে আগমন আন্দোলনকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনের জোরদার আহ্বান জানিয়ে মোদি সরকারের কড়া সমালোচক পরাকলা প্রভাকর লিখেছেন, ‘হর গলি মে জন্তর মন্তর! শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে জনগণের এই পদযাত্রায় অংশ নিন।’ আন্দোলনের আয়োজক জোটের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, সরকারের এই ত্রুটিপূর্ণ ও বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতের প্রান্তিক, পিছিয়ে পড়া এবং বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রায় ১৩ কোটি যোগ্য নাগরিকের নাম সুপরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজধানী দিল্লির ঐতিহ্যবাহী প্রতিবাদস্থল ‘জন্তর মন্তর’-এ সব ধরণের রাজনৈতিক ও সামাজিক জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সরকারের এই নিষেধাজ্ঞার জবাবেই আন্দোলনকারীরা আন্দোলনকে আরও ছড়িয়ে দিতে নতুন স্লোগান তুলেছেন—‘হর হাথ মে তিরঙ্গা, হর গলি মে জন্তর মন্তর’ (প্রতিটি হাতে জাতীয় পতাকা, প্রতিটি গলিতে জন্তর মন্তর)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর স্বামীর এমন সরাসরি বিরোধী মঞ্চে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত চলমান এসআইআর বিরোধী আন্দোলনকে যেমন সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে, ঠিক তেমনি কেন্দ্রীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপির অভ্যন্তরেও চরম রাজনৈতিক অস্বস্তি বাড়িয়েছে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular